১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ৩১ আগস্ট এনআরসিতে বাতিল হওয়া মানুষদের নামের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। একমাত্র অনলাইনেই এই তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলেও জানিয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ও বিচারপতি আর এফ নরিম্যানের ডিভিশন বেঞ্চ। এর পাশাপাশি আধার কার্ডের মতো অসমের এনআরসি সংক্রান্ত তথ্যও গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতিরা।

[আরও পড়ুন: বদলাচ্ছে ব্যাংক খোলার সময়, বড় ঘোষণা আরবিআইয়ের]

মঙ্গলবার আদালত খোলার পরেই অসমের এনআরসি সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু হয় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। শুনানির পর উপরিউক্ত নির্দেশগুলি দেন বিচারপতিরা। সেই সঙ্গে তাঁরা একথাও স্পষ্ট করে দেন যে এই নিয়ে বিভিন্ন আইনি সমস্যা এলেও এনআরসি প্রক্রিয়া আর নতুন করে শুরু হবে না। বিচারপতিরা বলেন, ‘এনআরসিতে নথিভুক্ত ও বাতিল নামের তালিকার সার্টিফায়েড হার্ড কপি একমাত্র জেলা অফিসগুলিতেই থাকবে। আর ৬৬ এ জাজমেন্টের ধারা অনুযায়ীই আপডেট করা হবে এনআরসির তালিকা।’

গত ২৩ জুলাইয়ের শুনানিতে অসমে নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সময়সীমা এক মাস বাড়ায় সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে সময় বদলে যায় ৩১ জুলাই থেকে আগস্ট মাসের ৩১ তারিখে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জির কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হাজেলার আবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সর্বোচ্চ আদালত। ৭ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়ে নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করতে বলে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর ডিভিশন বেঞ্চ। তবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং বাদ পড়াদের মধ্যে ২০ শতাংশ নাগরিকের তথ্যপঞ্জি নতুন করে খতিয়ে দেখার যে আরজি করেছিল কেন্দ্র এবং অসম সরকার। তা খারিজ হয়ে যায়।

[আরও পড়ুন: মেট্রো স্টেশনে হামলার ছক, ছদ্মবেশে দেশে ঢুকে পড়েছে পাক জেহাদি দল]

কেন্দ্র এবং অসম সরকারের দাবি ছিল, জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে এমন অনেকেই বাদ পড়েছেন, যাঁরা প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় নাগরিক। আবার অনেক অনুপ্রবেশকারী বা প্রবাসীও তালিকায় ঢুকে পড়েছেন। বিশেষত অসম-বাংলাদেশ সীমান্তের কিছু এলাকায় স্থানীয় আধিকারিকদের যোগসাজশে এমনটা হয়েছে। তাই আরও অন্তত ২০ শতাংশ নাগরিকের নথিপত্র খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা প্রয়োজন। সেই জন্যই অতিরিক্ত সময় লাগবে। তাই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে দেওয়া হোক।

যদিও ২৩ তারিখের ওই শুনানিতে এনআরসি কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হাজেলা জানান, নতুন করে আর নথিপত্র যাচাইয়ের প্রয়োজন নেই। কারণ ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ পড়া এবং তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ৭২ লক্ষ মানুষের নথিপত্র দ্বিতীয়বার যাচাই করা হয়েছে। তবে খসড়া তালিকা থেকে চূড়ান্ত তালিকা তৈরিতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে। সেই আরজি মেনেই আরও এক মাস সময় বাড়িয়ে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং