Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Rahul Gandhi

অসমে ন্যায় যাত্রায় পুলিশের লাঠিচার্জ, রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধেই FIR-এর নির্দেশ হিমন্তের

রাহুলের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৪, ১৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৪, ১৯:২২

options
link
অসমে ন্যায় যাত্রায় পুলিশের লাঠিচার্জ, রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধেই FIR-এর নির্দেশ হিমন্তের zoom
অসমে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় পুলিশি বাধা। ছবি: ফেসবুক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমে পুলিশি বাধার মুখে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা। গুয়াহাটি শহরে ঢোকার চেষ্টা করতেই পদযাত্রা রুখে দেয় পুলিশ। পালটা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন কংগ্রেস কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চালায় বলে অভিযোগ। আর পুরো বিষয়টি ঘটে রাহুল গান্ধীর সামনে। এদিকে রাহুলের বিরুদ্ধে জনতাকে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছেম তিনি। পাশাপাশি রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশও দিয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা (Bharat Jodo Nyay Yatra) নিয়ে এই মুহূর্তে অসমের নওগাঁ জেলায় রাহুল গান্ধী। রামমন্দির উদ্বোধনের দিন অসমের বৈষ্ণব সাধক শঙ্করদেবের জন্মস্থান বারদোভা থানায় যাওয়ার কথা ছিল কংগ্রেস নেতার। কংগ্রেস (Congress) সূত্রের দাবি, সেই মতো আগে অনুমতিও নেওয়া ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই অনুমতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) জানিয়ে দেন, রাহুলের উচিত মন্দির উদ্বোধনের সময় শঙ্করদেবের জন্মস্থান ভ্রমণ এড়িয়ে যাওয়া। এতে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। একই কারণ দেখিয়ে গুয়াহাটি শহরে পদযাত্রার অনুমতি দেওয়া হয়নি কংগ্রেসকে। বলা হয়েছিল, শহরের মধ্যে দিয়ে শোভাযাত্রা গেলে আমজনতার সমস্যা হবে। রোগীদের নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স চলাচল করতে পারবে না। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: রামমন্দির উদ্বোধন নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া, কী বলল পাকিস্তান?]

এদিন ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে এগনোর কথা ছিল ন্যায়যাত্রার। মাঝেই ছিল খানাপাড়া, গুয়াহাটি শহরে প্রবেশপথ। সেখানে সকাল থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছনোর পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রিপুণ বোরা এবং সাংসদ গৌরব গগৈ কংগ্রেস কর্মীদের শহরে ঢোকার ডাক দেন। সেই সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

 

অভিযোগ, খানাপাড়ার ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন কংগ্রেস কর্মীরা। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পালটা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। 

[আরও পড়ুন: প্রাণ পেল রামলালা, ছবিতে দেখুন ষোড়শ উপচারে পুজোর বিশেষ মুহূর্ত]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.