১৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ 

Advertisement

থমথমে পরিস্থিতিতেই কাশ্মীরে খুলল স্কুল-সরকারি অফিস, উপস্থিতি সামান্যই

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 19, 2019 4:15 pm|    Updated: August 19, 2019 4:16 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে কাশ্মীরকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল প্রশাসন। সোমবার খুলে দেওয়া হল উপত্যকার সব সরকারি অফিস। খোলা হয়েছে বেশ কিছু সরকারি স্কুলও। শনিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, সোমবার থেকে স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস খুলে দেওয়া হবে। সেইমতো এদিন, খুলে যায় উপত্যকার সব সরকারি অফিস। সরকারি স্কুলের অধিকাংশ এখনও বন্ধ থাকলেও, কিছু স্কুল খোলা হয়েছে সোমবার। যদিও, অফিস বা স্কুল কোনওটিতেই উপস্থিতির হারে স্বতঃস্ফূর্ততা লক্ষ্য করা যায়নি। স্বাভাবিকের তুলনায় উপস্থিতির হার অনেকটাই কম ছিল।

[আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের জাত চিনতে বিভিন্ন রংয়ের রিস্ট ব্যান্ড! বিতর্কে তামিলনাড়ুর একাধিক স্কুল]

এদিন শ্রীনগরে মোট ৯০০ টি সরকারি স্কুলের মধ্যে ১৯৬টি খোলা হয়েছিল বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। কিন্তু, অধিকাংশ স্কুলেই উপস্থিতির হার স্বাভাবিকের তুলনায় নগণ্য। এমন একাধিক শিক্ষাক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে একজন পড়ুয়াও উপস্থিত হয়নি। আসলে, দীর্ঘদিনের লকডাউনের ফলে এখনও আতঙ্কিত অভিভাবকেরা। তাঁরা নিজেদের সন্তানদের এখনই বাড়ির বাইরে পাঠানোর সাহস পাচ্ছেন না। তাছাড়া স্থানীয় সূত্রের খবর, উপত্যকার কিছু কিছু জায়গায় এখনও বিক্ষিপ্ত অশান্তিও হচ্ছে। যা আরও আতঙ্কিত করছে অভিভাবকদের। বেমিনা অঞ্চলের স্কুলগুলিতে এবং কিছু কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হলেও, বাকি উপত্যকার বেশিরভাগ স্কুলেই ছাত্র-ছাত্রীদের হাজিরা নগণ্য। প্রশাসন সূত্রের খবর, পড়ুয়ার উপস্থিতি কম হলেও শিক্ষকরা কমবেশি সকলেই স্কুলে উপস্থিত ছিলেন। সরকারি স্কুল খুললেও বেসরকারি স্কুলগুলি অবশ্য এখনও বন্ধ। টানা এক পক্ষকাল বন্ধ রয়েছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।

[আরও পড়ুন: নেহরুর জন্যই হাতছাড়া আকসাই চিন, কংগ্রেসকে তোপ লাদাখের সাংসদের]

সরকারি অফিসগুলির অবস্থাও তথৈবচ। আধিকারিকদের উপস্থিতি স্বাভাবিকের তুলনায় কম। সাধারণ মানুষের ভিড় আরও কম বলে জানাচ্ছে একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। যেসব অফিস-কাছারিতে অন্যসময় কাজ করানোর জন্য মানুষের লাইন পড়ে যেত সেগুলিতে এখন ভিড় নেই বললেই চলে। এদিকে, একদফা ইন্টারনেট এবং মোবাইল পরিষেবা চালু করা হলেও তা ফের বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। প্রশাসন অবশ্য দাবি করছে, উপত্যকার দুই তৃতীয়াংশ ল্যান্ডলাইনই খুলে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন সবরকম ব্যবস্থা করবে বলে জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে আবার বৃহস্পতিবার আরেক দফা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিবও। দ্রুত স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ বাড়ির বাইরে আসবে বলেও আশাবাদী প্রশাসন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement