সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু (Jawaharlal Nehru) এমন এক মহানুভব মানুষ ছিলেন, যিনি একনায়কত্বকে সরিয়ে গণতন্ত্রকে বেছে নিয়েছিলেন। দেশের মানুষ যাতে পরস্পরকে ভালবাসেন, ঘৃণা না করেন সেই চেষ্টাই করে গিয়েছেন তিনি। এমনটাই দাবি করলেন সাহিত্যিক বিক্রম শেঠ (Vikram Seth)। শনিবার মুম্বইয়ের তাজমহল হোটেলে ‘আ স্যুটেবল বয়ে’র লেখক এভাবেই প্রশস্তিতে ভরিয়ে দিলেন নেহরুকে। যদিও তিনি মেনে নেন নেহরুর কাজে ভুলও ছিল।
ঠিক কী বলেছেন বিক্রম? তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”তাঁর সমস্ত ভুল সত্ত্বেও নেহরু এমন এক মহানুভব মানুষ ছিলেন যিনি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছিলেন ব্যাপক জনপ্রিয়। অনায়াসেই একজন একনায়ক হয়ে উঠতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। একে অপরকে ঘৃণা করার হাত থেকে তিনি আমাদের বাঁচিয়েছিলেন। ভারতের মতো দেশে, যেখানে এমন এক সমৃদ্ধ সভ্যতা ছিল, সেখানে দেশভাগের পর ধর্মীয় ঘৃণা-সংঘর্ষ রুখে দিয়েছিলেন নেহরু।”
[আরও পড়ুন: ফের কর্ণাটকের কুরসিতে সিদ্দারামাইয়া, ডেপুটি শিবকুমার, বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামে নিলেন শপথ]
তবে সেই সঙ্গেই ১৯৬২ সালের ভারত-চিন যুদ্ধ ও কাশ্মীর সমস্যার মতো ইস্যু যে জটিল ইস্যু ছিল তাও মেনে নেন বিক্রম। এরই পাশাপাশি ৭০ বছরের লেখকের দাবি, নেহরুর পরে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও ইন্দিরা গান্ধীও দেশে ঘৃণার প্রকোপ কমাতে বিরাট সাফল্য পেয়েছিলেন।
[আরও পড়ুন: দু’হাজারের নোট ‘বন্দি’ ঘোষণার পরই রাজস্থানের সরকারি দপ্তর থেকে উদ্ধার আড়াই কোটি!]
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতা লিগের ডার্বিতে নামার আগে সামনে ইউনাইটেড, কোন চিন্তা ভাবাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে?
-
নিম্নচাপ সরছে ঝাড়খণ্ডে, পাহাড়ে ফের ভারী বৃষ্টির সর্তকতা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?
-
এড়িয়েছিলেন প্রথম তলব! ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে অবশেষে থানায় ডেরেক, আজই হাজিরা দেবেন সুমিতও
-
‘ককরোচ’ আন্দোলনের পর প্রথমবার, জেন জির ‘মন কি বাত’ শুনতে কলেজ ক্যাম্পাসে মোদি
-
‘দিল্লি বিস্ফোরণে আপনার টাকা’, ৭ দিন ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ প্রবীণ দম্পতি, ৩০ লাখ লুট