২১ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ব্যর্থ মধ্যস্থতাকারী কমিটি, ৬ আগস্ট থেকে রোজ শুনানি অযোধ্যা মামলার

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: August 2, 2019 4:36 pm|    Updated: August 2, 2019 4:36 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যর্থ হয়েছে মধ্যস্থতাকারী কমিটির সমস্যা সমাধানের প্রয়াস। আদালতের বাইরে রাম জন্মভূমি ও বাবরি মসজিদ জমি বিবাদের ঝামেলা মেটানো জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই কমিটি। তারপর থেকে বেশ কয়েকমাস ধরে চেষ্টা করলেও সমস্যার কোনও সমাধান করতে পারেনি তারা। শুক্রবার সেই কথা জানিয়ে আগামী ৬ আগস্ট থেকে রোজ অযোধ্যা মামলার শুনানি হবে বলে জানালেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। রিপোর্টে থাকা গোপনীয় তথ্য সম্পর্কে অবশ্য কিছু জানানো হয়নি।

[আরও পড়ুন: গলা ডোবা জলে গামলা মাথায় একরত্তিকে উদ্ধার, ‘সুপার হিরো’ গুজরাটের পুলিশকর্মী]

কিছুদিন আগে মধ্যস্থতাকারী কমিটিকে বাতিল করার দাবি জানিয়ে বেশ কিছু আবেদন জমা পড়ে আদালতে। তাতে সুপ্রিম কোর্টেই রোজ শুনানি করে এই মামলার বিচার করার আবেদন জানানো হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদন সাড়া না দিলেও কমিটিকে দ্রুত রিপোর্ট জমার নির্দেশ দেয়। গত ১৮ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া শেষ করতে বলে। আর পয়লা আগস্টের মধ্যে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতের কাছে জমা দিতে বলে।

বৃহস্পতিবার সেই নির্দেশ মেনে মুখবন্দি খামে রিপোর্ট জমা করা হয় প্রাক্তন বিচারপতি কালিফুল্লার নেতৃত্বাধীন কমিটির তরফে। তাতে কমিটি গঠন হওয়ার পর থেকে ৩১ জুলাইয়ের আগে পর্যন্ত মধ্যস্থতা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আছে।

[আরও পড়ুন: ব্যক্তি বিশেষে সন্ত্রাসবাদী তকমা দানের ক্ষমতা, রাজ্যসভায় পাশ ইউএপিএ সংশোধনী বিল]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে প্রথম অযোধ্যার এক বাসিন্দা গোপাল সিং বিশারদ ফৈজাবাদের দেওয়ানি আদালতের বিচারকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তৎকালীন রাজ্য সরকার তাঁর আরাধ্য রামের মূর্তিতে পুজো করতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন। অযোধ্যার বিতর্কিত জমি থেকে রামে মূর্তি সরানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন। তার অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় পর এর বিচার চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন গোপাল সিংয়ের ছেলে রাজেন্দ্র সিং। মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াকে বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু করার আবেদন জানান। তাঁর দাবি ছিল, প্রথমে মধ্যস্থতা নিয়ে আপত্তি থাকলেও পরে এই প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু, গত পাঁচ মাসে বাদী ও বিবাদী পক্ষদের নিয়ে মোট তিনটি বৈঠকে হয়েছে। কিন্তু, কোনও পক্ষ থেকেই সমস্যা সমাধানের নির্দিষ্ট প্রস্তাব আসেনি। মধ্যস্থতার বিষয়টি কোনদিকে এগোচ্ছে তা কিছু বোঝা যাচ্ছে না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement