Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ayodhya

২৬ লক্ষের বেশি প্রদীপে আলোকিত সরযূর তীর, আযোধ্যায় জোড়া বিশ্বরেকর্ড যোগীর

২,১২৮ জন বেদাচার্যের উপস্থিতিতে শুরু হয় মহাআরতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ২৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ২৩:৩৮

options
link
২৬ লক্ষের বেশি প্রদীপে আলোকিত সরযূর তীর, আযোধ্যায় জোড়া বিশ্বরেকর্ড যোগীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীপাবলির আগে ফের নয়া ইতিহাস রচনা করল অযোধ্যা। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে ২৬ লক্ষের বেশি প্রদীপ জ্বেলে দীপাবলির আগে রচিত হল নয়া বিশ্ব রেকর্ড। ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তের সাক্ষী হলেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা। শুধু তাই নয়, মাত্র ১৫ মিনিটে এতগুলি প্রদীপ জ্বালিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠল রামভূমির। সবমিলিয়ে রচিত হল জোড়া রেকর্ড।

বিশ্বরেকর্ডের শংসাপত্র হাতে মুখ্যমন্ত্রী।

প্রতি বছরের মতো এবারও দেশ ও বিশ্বের নজর ছিল সরযূ নদীর তীরে। দীপ উৎসব উপলক্ষে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রামকথা পার্কের মঞ্চে রামের প্রতীকী রাজ্যাভিষেক করেন। এরপর, রাম মন্দির পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথম তলায় রাম দরবারের সামনে মাথা নত করে আশীর্বাদ গ্রহণ ও রামলালার পুজোর পর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী কমপ্লেক্সের প্রধান প্রবেশপথের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপোৎসবের উদ্বোধন করেন। দীপোৎসব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অযোধ্যার মানুষ ৫৬টি ঘাটে ২৬,১৭,২১৫টি প্রদীপ জ্বালিয়ে রেকর্ড গড়া হয়।

Advertisement

এরপর সরযূ নদীর তীরে ২,১২৮ জন বেদাচার্যের উপস্থিতিতে শুরু হয় মহাআরতি। ঘটনাস্থল থেকেই ঘোষিত হয় এই নয়া রেকর্ডের কথা। এরপর মুখ্যমন্ত্রী যোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বিশ্বরেকর্ডের শংসাপত্র। তার আগে, অযোধ্যায় একটি ড্রোন শো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১,১০০টি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করা হয়। রাম কি পৌড়িতে আয়োজিত লেজার এবং ড্রোন শো ছিল দেখার মতো। চলে আতশবাজির প্রদর্শনী। অসাধারণ সেই দৃশ্য উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান রাস্তায়।

কোনওরকম দুর্ঘটনা এড়াতে ছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা। অযোধ্যাকে ১৮টি জোন এবং ৪২টি সেক্টরে ভাগ করে ১০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয় ওই অঞ্চলে। পিএসি, আরএএফ, এটিএস, বিডিএস এবং স্থানীয় পুলিশ ছিল সর্বত্র। রাম কি পৌড়ি এবং রামপথের পাশের বাড়িগুলির ছাদে মোতায়েন করা হয় সশস্ত্র সেনা। অ্যান্টি-মাইন দল, ব্যাগেজ স্ক্যানার এবং ফায়ার ব্রিগেডও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.