সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যানজট একটা দুঃস্বপ্নের মতো হয়ে উঠেছে বেঙ্গালুরুতে। যার মোকাবিলা করতে গিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে। এই পরিস্থিতিতে তিনি চিঠি লিখেছিলেন উইপ্রোর প্রতিষ্ঠাতা আজিম প্রেমজিকে। আর্জি জানিয়েছিলেন, যদি ওই সংস্থার বেঙ্গালুরু ক্যাম্পাসটি বাইরের যানবাহন চলাচলের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে আউটার রিং রোডের উপর যানবাহনের চাপ কমানো যাবে। কিন্তু বর্ষীয়ান প্রেমজি তাঁর সিদ্দিরামাইয়ার প্রস্তাবে স্পষ্ট ‘না’ বললেন। যদিও যানজট মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রে অংশ নিতে তাঁদের আপত্তি নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রেমজি জানিয়েছেন, উইপ্রোর সারজাপুরের ক্যাম্পাস একটি ‘স্পেশ্যাল ইকনোমিক জোন’। যেহেতু বিশ্বব্যাপী পরিষেবার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তাঁরা, সেই কারণেই ওখানে কঠোর প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের নিয়ম জারি রয়েছে। এই বাধ্যবাধকতার পরিস্থিতিতে তাই ওই ক্যাম্পাস দিয়ে সীমিত সংখ্যক বাইরের যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া সম্ভব নয়।
তাঁর চিঠিতে আজিম প্রেমজি লিখেছেন, ‘আমাদের সারজাপুর ক্যাম্পাসের মধ্য দিয়ে জনসাধারণের যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার যে সুনির্দিষ্ট আর্জি, তা পূর্ণ করতে গেলে আইনি, প্রশাসনিক এবং আইনগত সমস্যার আশঙ্কা করছি আমরা। কারণ এটি এক সংস্থার মালিকানাধীন একচেটিয়া ব্যক্তিগত সম্পত্তি। যা জনসাধারণের ব্যবহারপোযোগী নয়।’
সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের সারজাপুর ক্যাম্পাস একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল যা বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের পরিষেবা প্রদান করে। তাছাড়া, ব্যক্তিগত সম্পত্তির মধ্য দিয়ে জনসাধারণের যানবাহন চলাচল কোনও স্থায়ী, দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হিসেবে ধরা যায় না।’
যদিও প্রেমজি জানিয়েছেন, যানজটের মোকাবিলায় বাস্তবোচিত সমাধানের ক্ষেত্রে তিনি সরকারের পাশে রয়েছে। এমনকী, বিশেষজ্ঞদের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠনেরও পরামর্শ দিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
-
দুর্নীতিতে অভিযুক্তরা কীভাবে শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বে? বিস্মিত হাই কোর্ট
-
জনতার ‘ডিমোক্রেসি’তে বিপন্ন তৃণমূল! শুভেন্দুর সংযমের বার্তা, ‘জোট বেধে বাড়ি যাওয়ার দরকার নেই’
-
দেশের আর্থিক জাগরণের ভিত্তি, এনএসই-র হাত ধরে বিনিয়োগকারীর দেশে পরিণত হয় ভারত
-
আফ্রিকার বিমানবন্দরে রক্তস্রোত! নাইজারে আল কায়দায় শাখা গোষ্ঠীর হামলায় মৃত অন্তত ৩৫
-
সোহিনীর নির্দেশনায় সপ্তর্ষির ‘অবাঞ্ছিত শব্দগুচ্ছ’, নতুন নাটকের নেপথ্যে কোন বিশেষ ভাবনা?