Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

চণ্ডীগড় কাণ্ডে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতার ছেলে বিকাশ, অভিযুক্তর হয়ে সওয়াল বাবুলের

তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই উঠেছে বিতর্কের ঝড়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৩:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৩:৫৪

options
link
চণ্ডীগড় কাণ্ডে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতার ছেলে বিকাশ, অভিযুক্তর হয়ে সওয়াল বাবুলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চণ্ডীগড়ে নেতার ছেলের বিরুদ্ধে রাতবিরেতে মহিলাকে ধাওয়া করার ঘটনা দেশ জুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এই ঘটনা আটক করা হয়েছিল হরিয়ানার বিজেপি সভাপতি সুভাষ বরালার ছেলে বিকাশ বরালা ও তাঁর বন্ধু আশিস কুমারকে। কিন্তু সহজেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যান তাঁরা। এই নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল বিরোধীরা। ঘটনার পাঁচদিন পর অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল বিকাশ বরালাকে। বুধবার বিকাশ থানায় যেতেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্ণিকার ঘটনায় নারী নিরাপত্তা নিয়ে গোটা দেশ যখন বর্ষীয়ান আইএএস অফিসারের কন্যা বর্ণিকা কুণ্ডুর পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন অভিযুক্তর হয়ে সওয়াল করলেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়।

ঘটনা গত শুক্রবারের। বর্ণিকার অভিযোগ ছিল, রাতে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর গাড়ির পিছনে ধাওয়া করেন বিজেপি নেতার পুত্র। দুবার তাঁর গাড়ি থামানো হয়। একজন গাড়ি থেকে নেমে তাঁর গাড়ির চারপাশে ঘোরাঘুরিও করে। শেষমেশ পুলিশকে ফোন করে রক্ষা পান ওই যুবতী। পরে জানিয়েছিলেন, তিনি ভাগ্যবতী যে সেদিন ধর্ষিতা হতে হয়নি। গোটা দেশ এমন ঘটনার নিন্দা করেছে। এমনকী পরিস্থিতি উত্তপ্ত দেখে খোদ বিজেপি নেতাও নিজের ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেননি। বর্ণিকার সুবিচার চেয়ে সুর চড়ান সুভাষ বরালাও। বলেন, দায় এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই। কেননা তিনি বা তাঁর দল, কেউই পুলিশ বা অন্য কারও উপর কোনও চাপ দিচ্ছেন না। বিজেপি নারীর অধিকারে বিশ্বাস করে। আর তাই তাঁর মেয়ের মতো বর্ণিকারও সুবিচারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেছেন তিনি। কিন্তু চণ্ডীগড়ের ঘটনায় সম্পূর্ণ উলটো সুর বাবুল সুপ্রিয়র গলায়।

Advertisement

babul

[মহিলা যাত্রীকে দেখেই হস্তমৈথুন, গ্রেপ্তার ওলা চালক]

টুইট করে প্রশ্ন তুলে দিলেন তদন্তের আগেই কেন অপহরণের অভিযোগ তোলা হচ্ছে নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “এক যুবক এক মহিলাকে ধাওয়া করেছে। যে কিনা মদ্যপান করেছিল। যা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু তদন্তের আগেই কীভাবে সেই যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ তোলা হচ্ছে? কেন যুবকের পিতাকে এর মধ্যে টানা হচ্ছে? নেতার ছেলে বলেই কি মুচমুচে খবর হিসেবে বিষয়টিকে তুলে ধরার চেষ্টা? ‘নারীদের বিচার চাই’ স্লোগান কি এতে আরও জোড়াল হবে? দেশে আইন আছে। সেখানেই প্রমাণিত হবে যুবক কী দোষ করেছে। কিন্তু তা তদন্ত সাপেক্ষ।” এখানেই থামেননি। বাবুলের বক্তব্য, “যারা সুবিচারের জন্য সুর চড়াচ্ছেন, তাঁরা কেরলের মৃত্যুর ঘটনা অথবা পশ্চিমবঙ্গের বৃদ্ধার হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন না কেন?” তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই উঠেছে বিতর্কের ঝড়। অনেকেরই দাবি, বাবার ক্ষমতার জন্যই এসব কাজ করার সাহস পেয়েছে ওই যুবক। এবং ক্ষমতা দেখিয়ে সহজে ছাড়াও পেয়ে যাবে। আর তাই গোটা ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে সুভাষ বরালার নাম।

[‘বর্ণিকা আমার মেয়ের মতো, ও যেন সুবিচার পায়’]

এদিকে এই ঘটনার তদন্তে নেমে মঙ্গলবার রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পায় পুলিশ। তাতে প্রমাণিত হয়েছে, সুভাষ বরালার ছেলে সেদিন বর্ণিকাকে ধাওয়া করেছিল। তারপর বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.