Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘ঘুস কে মারেঙ্গে’ বার্তা দিতেই বালাকোট হামলা, বর্ষপূর্তিতে বললেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান

২৬ ফেব্রুয়ারি উপমহাদেশে লড়াইয়ের সংজ্ঞা পালটে দেয় ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৫:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৫:২০

options
link
‘ঘুস কে মারেঙ্গে’ বার্তা দিতেই বালাকোট হামলা, বর্ষপূর্তিতে বললেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ঘুস কে মারেঙ্গে’, অর্থাৎ ‘ঢুকে মারব’। জঙ্গিদের এই বার্তা দিতেই ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালানো হয়েছিল। বুধবার বালাকোট হামলার প্রথম বর্ষপূর্তিতে এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান বিএস ধানোয়া।

এক বছর আগে আজকের দিনেই পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডে ঢুকে হামলা চলিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। পুলওয়ামায় ৪০ ভারতীয় জওয়ানের হত্যার বদলা নিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি পাক জঙ্গি শিবিরে অগ্নিবৃষ্টি করেছিল ভারতের মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান। সেদিন থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে লড়াইয়ের সংজ্ঞা পালটে দেয় ভারত। ‘রক্ষণাত্মক’ নীতি ছেড়ে ইজরায়েলের ‘আক্রমণাত্মক’ কৌশল অবলম্বন করে নয়াদিল্লি। এর ফলে ইসলামাবাদ থেকে বেজিং পর্যন্ত রীতিমতো কেঁপে উঠে। সেদিনের গোটা অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন ধানোয়া।ওই হামলার প্রথম বর্ষপূর্তিতে তিনি বলেন, “বালাকোটে জইশ শিবিরে হামলা চালানোর উদ্দেশ্য ছিল বার্তা দেওয়া। সেদিন আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছিলাম যে, তোমরা যেখানেই লুকিয়ে থাক না কেন, আমরা সেখানেই ঢুকে মারব। এর ফলে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন কোনও জঙ্গি হামলা হয়নি। কারণ ওরা ভয় পেয়েছিল।”

Advertisement

                               

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে বিমান হামলা (Balakot Air Strike) চলিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। এই হামলা ঘিরে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক বেশ অবনতির দিকে গড়ায়। এমনকী সরাসরি যুদ্ধের পরিস্থিতির আশঙ্কাও করেছিলেন অনেকে। ভারতের সীমায় ঢুকে পড়া পাকিস্তানের বিমান ধাওয়া করতে গিয়ে বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান (Wing Commander Abhinandan Varthaman)কে আটকে রেখে সেই পরিস্থিতি আরও অনুকূল করে তুলছিল পাকিস্তান। তবে পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অভিনন্দনকে ছেড়ে দিয়ে কার্যত পিছু হঠে ইমরানের দেশ। শুধু জাতীয় রাজনীতিই নয়, বালাকোটের হামলা আন্তর্জাতিক স্তরেও বেশ তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল।  

[আরও পড়ুন: তালিবানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আশ্বস্ত করলেন ট্রাম্প]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.