Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bangladesh Dam

বিএসএফের আপত্তি উড়িয়ে বাঁধ নির্মাণ বাংলাদেশের! বন্যা উদ্বেগ ত্রিপুরায়

প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, দাবি স্থানীয়দের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৫, ১৩:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৫, ১৩:৫৭

options
link
বিএসএফের আপত্তি উড়িয়ে বাঁধ নির্মাণ বাংলাদেশের! বন্যা উদ্বেগ ত্রিপুরায় zoom
বাংলাদেশে নির্মীয়মাণ বাঁধ।

প্রণব সরকার, আগরতলা: বিএসএফের আপত্তি অগ্রাহ্য করে ত্রিপুরায় ভারতীয় সীমান্ত বিশাল বাঁধ নির্মাণ করছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সীমান্তের জিরো পয়েন্টে চলছে বাঁধ নির্মাণের কাজ। যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। উদ্বেগ বাড়ছে ত্রিপুরার বিস্তীর্ণ এলাকায়।

ত্রিপুরার উনকোটি সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে আলীনগর, নিশ্চিন্তপুর ও লালারচক এলাকায় নতুন করে উঁচু এবং শক্তিশালী বাঁধ নির্মাণ করার কাজ চলছে। বাঁধটি ৬০ ফুট চওড়া এবং ২০ ফুট উঁচু করা হচ্ছে। এই বাঁধ ভারতের কৈলাশহরের জনগণের জন্য তা শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের নতুন বাঁধের তুলনায় ভারতের অংশের বাঁধ বর্তমানে অত্যন্ত দুর্বল। প্রায় পঁচিশ বছর ধরে ভারতের অংশে কোনও বাঁধ মেরামত বা নির্মাণের কাজ হয়নি। ভারী বর্ষণ হলে বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, তবে অনেক এলাকায় এখনও বাঁধ নির্মাণ হয়নি। বাঁধ না থাকলে বর্ষার সময় বন্যা অবধারিত, যা পুরো কৈলাশহরের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

Advertisement

বিএসএফ বার বার আপত্তি জানিয়েও বাংলাদেশের জিরো পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করাতে পারেনি। বিএসএফের অভিযোগ, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এসব আপত্তি উপেক্ষা করছে। এ নিয়ে উনকোটির জেলাশাসক দিলীপ কুমার চাকমা, অতিরিক্ত জেলাশাসক অর্ঘ্য সাহা, এবং গৌরনগর পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সীমান্তের এই বাঁধ নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন।

বিএসএফ ও স্থানীয় প্রশাসন তাদের পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট জমা দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের নির্মাণকাজের অগ্রগতি এবং ভারতের অংশে বাঁধের দুর্বলতা কৈলাশহরের জন্য গুরুতর আশঙ্কার কারণ। বর্ষার সময় বাংলাদেশ সুরক্ষিত থাকলেও ভারতের অংশ ডুবে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে যাতে সীমান্ত এলাকায় ভারসাম্য বজায় রাখা যায় এবং জনজীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.