Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
S Jaishankar

তুরস্কের মদতেই ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে ‘গ্রেটার বাংলাদেশে’র ম্যাপ জেহাদিদের! তোপ জয়শংকরের

আর কী বললেন জয়শংকর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৫, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৫, ১৬:১৪

options
link
তুরস্কের মদতেই ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে ‘গ্রেটার বাংলাদেশে’র ম্যাপ জেহাদিদের! তোপ জয়শংকরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তুরস্কের মদতেই ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্র তৈরি করেছে জেহাদিরা! সংসদে দাঁড়িয়ে বোমা ফাটালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। শুধু তাই নয়, এই মানচিত্রটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীতেও দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরযেওয়ালা তুরস্ক সমর্থিত বাংলাদেশের এক জেহাদি গোষ্ঠী, যারা ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্র প্রচার করছে, তাদের বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে বিষদে তথ্য প্রকাশ করার দাবি জানান। তিনি প্রশ্ন করেন, ভারত সরকার কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে এটি নিয়ে আলোচনা করেছে কি না? পাশাপাশি, এই পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কী ভাবছে সরকার? সেই প্রশ্নটিও উত্থাপন করেন তিনি।

Advertisement

কংগ্রেস নেতার এই প্রশ্নের জবাবে জয়শংকর একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘সরকার গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। ঢাকার একটি জেহাদি গোষ্ঠী ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ এই মানচিত্রটি প্রকাশ করেছে। তাদের প্রত্যক্ষভাবে মদত দিচ্ছে ‘তুর্কি যুব ফেডারেশন’ নামে তুরস্কের একটি এনজিও। মানচিত্রটিতে ভারতের কিছু অংশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকী এই মানচিত্রটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রদর্শিত হয়েছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘গত ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়েছিল।’ 

তবে ‘বাংলাফ্যাক্ট’ নামে বাংলাদেশের একটি ফ্যাক্ট চেকিং প্ল্যাটফর্ম দাবি করেছে, সেদেশে ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামে কোনও জেহাদি গোষ্ঠীর অস্তিস্তের প্রমাণ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে মানচিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছিল, তা দেশভাগের আগের একটি ঐতিহাসিক মানচিত্র। প্রসঙ্গত, এই ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্রে মায়ানমারের আরাকান রাজ্য, ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি প্রকাশ্যে আসার পরই বিতর্ক তৈরি হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.