Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bank manager

ডেটিং অ্যাপে আলাপ, প্রেমিকার জন্য প্রায় ৬ কোটি টাকা ‘চুরি’ ব্যাংক ম্যানেজারের! তারপর…

এই কাজের জন্য সঙ্গী হিসেবে অভিযুক্ত নিয়েছিলেন দুই সহকর্মীকেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২২, ১০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২২, ১০:৪৫

options
link
ডেটিং অ্যাপে আলাপ, প্রেমিকার জন্য প্রায় ৬ কোটি টাকা ‘চুরি’ ব্যাংক ম্যানেজারের! তারপর… zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে ভালবাসা অন্ধ। কিন্তু অন্ধপ্রেম যে কত বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে, তা হাড়ে হাড়ে টের পেলেন এক ব্যাংক ম্যানেজার। প্রেমিকার জন্য বিরাট অঙ্কের আর্থিক তছরুপের অভিযোগে সোজা শ্রীঘরে তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তর নাম হরি শংকর। বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) হনুমন্তনগরের এক রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের ম্যানেজার তিনি। ডেটিং অ্যাপে এক যুবতীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল তাঁর। ধীরে ধীরে তাঁদের সম্পর্ক গভীর হয়। আর তারপরই নিজের গার্লফ্রেন্ডের জন্য ব্যাংক থেকে মোটা টাকা হাতিয়ে ‘হিরো’ সাজার ইচ্ছা হয়েছিল তাঁর। তাতেই তাঁকে পড়তে হল চূড়ান্ত সমস্যায়। ওই ব্যাংকের জোনাল ম্যানেজারের অভিযোগ, আর্থিক তছরুপি করে ৫.৭ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন ওই ব্যাংক ম্যানেজার। যে কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আপাতত ১০ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে অভিযুক্ত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অস্থায়ী শিক্ষকের সাম্মানিক ১৫০০ টাকা! সাঁইথিয়ার স্কুলের নোটিসে বিতর্ক]

ঘটনাটি ঘটে ১৩ থেকে ১৯ মে’র মধ্যে। শংকর একা নয়, এই কাজের জন্য সঙ্গী হিসেবে নিয়েছিলেন দুই সহকর্মী কৌশল্যা এবং মুনিরাজুকেও। পুলিশ জানাচ্ছে, এক মহিলা গ্রাহক ওই ব্যাংকে ১.৩ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করেছিলেন। যা দেখিয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা লোন নেন তিনি। এর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও জমা দিয়েছিলেন ব্যাংকে। কিন্তু অভিযোগ, সেই কাগজপত্র এবং ফিক্সড ডিপোজিটকে কাজে লাগিয়েই প্রতারণার ছক কষেন শংকর। গ্রাহকের ওই অর্থকে সিকিউরিটি হিসেবে রেখে ৫ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয় ওই ব্যাংক থেকে। এই অর্থের অঙ্ক বেশ কয়েক ভাগে ভাগ করে বাংলা, কর্ণাটক-সহ নানা শহরের মোট ২৮টি আলাদা আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রেখে দেওয়া হয়। পুলিশ জানতে পেরেছে, এই বিপুল অর্থ চালান করতে মোট ১৩৬ বার ব্যাংক লেনদেন করা হয়েছিল। আর এই কাজে শংকরকে সাহায্য করেন এই সহকর্মী। তবে তাঁদের জোর করে এ কাজ করানো হয়েছে কি না, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই খারিজ করেছেন শংকর। তাঁর দাবি, ডেটিং অ্যাপে মহিলার সঙ্গে আলাপের লোভ দেখিয়ে তাঁর থেকে এই বিরাট অঙ্কের অর্থ হাতিয়েছে সাইবার অপরাধীরা। তাঁর রয়ানও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: দেশে একদিনে করোনার বলি ২০, অ্যাকটিভ কেস ছাড়াল ৯০ হাজারের গণ্ডি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.