Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

গো-মাংস ফরমানের বিরোধিতা, মেঘালয়ে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক

প্রতিবাদ জানাতে বিফ-বিয়ার-রাইস পার্টির আয়োজন

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৭, ০৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৭, ০৯:৫৬

options
link
গো-মাংস ফরমানের বিরোধিতা, মেঘালয়ে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গো-মাংস এবং গবাদি পশু পাচার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে একাধিক রাজ্য সরব। এবার খোদ গেরুয়া শিবির থেকে মুখ খলতে শুরু করেছেন সদস্য সমর্থকরা। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দল ছাড়ার হিড়িক দেশের উত্তর-পূর্বে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিজেপি ছাড়লেন মেঘালয়ের আরও এক প্রথম সারির নেতা। নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলে বাচু মারাকের অভিযোগ, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য নিয়ে ছেলেখেলা হচ্ছে।

মহম্মদ কখনও গোমাংস খাননি, দাবি আরএসএস নেতার ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দেশের ১৭টি রাজ্যে ইতিমধ্যেই দখলে। কংগ্রেসমুক্ত ভারত গড়তে এবার উত্তর-পূর্বে হাত বাড়িয়েছে বিজেপি। অসম, অরুণাচল দিয়ে শুরু। আগামী বছর বিধানসভা ভোট মেঘালয়ে। পাহাড়ি এই রাজ্যে ক্ষমতা দখলে মশগুল গেরুয়া শিবির নির্বাচনের আগে পরপর ধাক্কা খেল। গো-মাংস নিয়ে কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দল ছাড়ার প্রবণতা মেঘালয় বিজেপিতে। সেভেন সিস্টার্সের অন্যতম মেঘালয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। যাদের খাদ্যতালিকায় অন্যতম হল গো-মাংস। যে কোনও অনুষ্ঠানে মেঘালয়ে বিফ পার্টি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এমন একটি রাজ্য কেন্দ্রের গো-মাংস নির্দেশিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব হয়েছিল। সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিফ-রাইস-বিয়ার পার্টির আয়োজন করে শীর্ষ নেতৃত্বের রোষানলে পড়েছিলেন মেঘালয়ের বেশ কিছু বিজেপি নেতা। দেওয়াল লিখন পড়ে ফেলে আর দলে থাকার আগ্রহ দেখাননি বাচু মারাক। দলীয় নেতৃত্বর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে দল ছাড়লেন বাচু। উত্তর গারো পাহাড় জেলার সভাপতির পদে ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগে এই ইস্যুতেই দল ছেড়েছিলেন বার্নাড মারাক। বার্নাড পশ্চিম গারো পাহাড় জেলার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। বাচু জানিয়েছেন, মেঘালয়ের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে অসম্মান করতেই এই সিদ্ধান্ত। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি গারো সংস্কৃতি, পরম্পরা এবং স্থানীয়দের খাওয়ার অভ্যাস মানতে পারছে না। এমন সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিলে বিজেপির ফল ভাল হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাচু।

 [ এ কেমন ইউনিফর্ম? ছাত্রীদের পোশাক ঘিরে বিতর্ক নেটদুনিয়ায় ]

কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই ওজনদার নেতাকে হারালেও মচকাচ্ছে না গেরুয়া শিবির। মেঘালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা নলিন কোহলি দুই বিদ্রোহীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিদ্রোহ জারি রেখে বার্নাড মেঘালয়ের তুরাতে ১০ জুন বিফ-রাইস-বিয়ার পার্টি করবেন। সেখানে থাকবেন বাচুও। মেঘালয়ে বিজেপির উত্থানে অন্যতম ভূমিকা ছিল বাচু ও বার্নাডের। এই দুই নেতাই জানিয়েছিলেন গো-মাংস নিয়ে কোনও নিষেধাজ্ঞা মেঘালয়ে চলবে না। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে না পেরে পদ্ম শিবির থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন মারাকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.