Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
cricket betting

ক্রিকেট বেটিং চক্রের ফাঁদে যুবক, দেড় কোটির দেনার চাপে চরম পরিণতি পরিবারের

তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৪, ১৪:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৪, ১৪:৫০

options
link
ক্রিকেট বেটিং চক্রের ফাঁদে যুবক, দেড় কোটির দেনার চাপে চরম পরিণতি পরিবারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেট বেটিং চক্রের ফাঁদে পড়ে মর্মান্তিক পরিণতি যুবকের। দেড় কোটি টাকার দেনায় ডুবেছিলেন তিনি। টাকা ফেরতের জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিলেন পাওনাদাররা। বাড়ি বয়ে এসে তাঁরা রীতিমতো অপমান করছিলেন বলে অভিযোগ। সেই চাপ নিতে না পারায় ২ বছরের সন্তানকে রেখে আত্মঘাতী হলেন যুবকের স্ত্রী। বেঙ্গালুরুর এই ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার বাবা। ইতিমধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মৃতার নাম রঞ্জিতা ভি। বয়স ২৪। গৃহবধূ। তাঁর স্বামী দর্শন বালু। বেঙ্গালুরুর হোলকের এলাকার বাসিন্দা। ক্ষুদ্র সেচদপ্তরের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার। অভিযোগ, অল্প সময়ে বড়লোক হওয়ার নেশায় ২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত অনলাইন ক্রিকেট বেটিং চক্রে দেদার টাকা ঢালতেন দর্শন। কিন্তু কোনওবারই জিততে পারেননি। অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে দেড় কোটি টাকা দেনা হয়ে যায় তাঁর। সেই দেনা মেটাতে পারছিলেন না। এদিকে পাওনাদাররা ঋণ মেটানোর জন্য চাপ দিতে শুরু করে। পরিবারটিকে রীতিমতো হেনস্তা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেই চাপ নিতে না পেরে দর্শন বালুর স্ত্রী আত্মহত্যা করেন। গত ১৯ মার্চ ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভরা মেট্রোয় মাখামাখি দুই রঙিন তরুণীর! বিতর্কিত রিল নিয়ে মুখ খুলল কর্তৃপক্ষ]

এই ঘটনায় রঞ্জিতার বাবা ভেঙ্কটেশ এম ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। ভেঙ্কটেশের দাবি, তাঁর জামাই নির্দোষ। অল্প সময়ে প্রচুর টাকা রোজগারের লোভ দেখিয়ে দর্শনকে জুয়া খেলায় অভ্যস্ত করেছিল অভিযুক্তরা। তাঁরাই দর্শনকে টাকা দিত বলে দাবি করেছেন ভেঙ্কটেশ। কিন্তু একবারও জিততে পারেননি তিনি। এর পরই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন পাওনাদাররা। সেই চাপ নিতে না পেরে আত্মঘাতী হন দর্শনের স্ত্রী। সূত্রের খবর, দেড় কোটির মধ্যে প্রায় ১ কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছিলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার যুবক। ৫৪ লক্ষ টাকা দেনা বাকি ছিল। রঞ্জিতার সুইসাইড নোটের ভিত্তিতে ৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন-শিবু, গিরিশ এবং ভেঙ্কটেশ। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

[আরও পড়ুন: ‘সন্ত্রাস দমন নিয়ে জ্ঞান দেবেন না’, পাকিস্তানকে তুলোধোনা দিল্লির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.