সব্যসাচী ভট্টাচার্য: সিকিমে পথ চলা শুরু করল বাইচুং ভুটিয়ার দল ‘হামরো সিকিম পার্টি’। বৃহস্পতিবার পশ্চিম সিকিমের দারামদিমে আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণা করেন বাইচুং।
[‘বৃদ্ধ’ যানের চলাচল রুখতে শহরের ৫০টি প্রবেশদ্বারে বসছে বিশেষ নজরদারি]
এপ্রিল মাসেই নয়াদিল্লিতে নয়া রাজনৈতিক দল ঘোষণা করেছিলেন বাইচুং ভুটিয়া। জানিয়েছিলেন, কয়েকদিনের মধ্যেই সিকিমেও দলের ঘোষণা করা হবে। সেইমতো এদিন চামলিংয়ের গড়ে আত্মপ্রকাশ করল ‘হামরো সিকিম পার্টি’। দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষদের সঙ্গে নিয়ে, স্বচ্ছ রাজনীতির পথেই তাঁর দল হাঁটবে বলে জানিয়েছিলেন ‘সিকিমিজ স্নাইপারের’। তাঁর দলে রয়েছেন সিকিমের প্রথম আইএএস অফিসার মেঘনিধি দাহাল ও দিলীপ রাই। রয়েছেন ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ারও। তাঁকে নিয়ে জোর জল্পনা ছিল সিকিমের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। বাইচুংকে পাশে পেতে কার্যত মরিয়া ছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ‘সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা’ (এসকেএম)। চামলিংয়ের ‘চার্ম’ ফিকে করতে বাইচুংয়ের জাদুতেই ভরসা ছিল দলটির। ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিকিমের মোট ৩২টি আসনের মধ্যে ১০টি দখল করেছিল এসকেএম। তবে নয়া দল গড়ে আপাতত তাদের পরিকল্পনায় জল ঢেলেছেন ওই তারকা ফুটবলার বলেই মনে করছেন রাজনীতিবিদদের একাংশ।
আগামী বছরই বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে পাহাড়ি রাজ্যটিতে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, এই মওকা কাজে লাগাতে চাইছেন বাইচুং। প্রায় দু’দশকেরও বেশি গ্যাংটকে দাপট রয়েছে সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের। জাঁদরেল রাজনীতিবিদ পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং। তাই লড়াই খুব সহজ হবে না ‘সিকিমিজ স্নাইপারের’। তবে খেলার মাঠে বহুবার ‘ড্রিবল’ করে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছেন বাইচুং। এবার চামলিংয়ের গড়ে কতটা ফাটল ধরাতে সক্ষম হবেন তিনি তা সময়ই বলবে।
[৩ মাস নিখোঁজ থাকার পর মোদির রাজ্য থেকে উদ্ধার কলকাতার কিশোরী]