Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

মরণোত্তর ভারতরত্ন ফেরাচ্ছেন ভূপেন হাজারিকার ছেলে!

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯, ১০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯, ১০:১৬

options
link
মরণোত্তর ভারতরত্ন ফেরাচ্ছেন ভূপেন হাজারিকার ছেলে! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত সরকারের দেওয়া মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান ফিরিয়ে দিচ্ছেন বলে ইঙ্গিত দিলেন ভূপেন হাজারিকার একমাত্র ছেলে তেজ হাজারিকা। সোমবার রাতে মার্কিন নিবাসী তেজ কয়েকটি ভারতীয় ওয়েবসাইটকে জানিয়েছেন, বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে অসম-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে এখন ভারতরত্ন সম্মান গ্রহণ করলে শিল্পীকেই অসম্মান করা হবে। আজ, মঙ্গলবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলটি রাজ্যসভায় নিয়ে আসছে কেন্দ্র । তার আগে উত্তপ্ত গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত। তেজ জানিয়েছেন, তাঁর বাবার নাম এই বিলের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে সরকার। এটা তাঁদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তবে শিল্পীর ভাই সমর হাজারিকা বলেন, “তেজের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে ভারতরত্নকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। অসম সরকার এটা উদযাপনের যে অনুষ্ঠান করেছিল, তাতেও আমরা অংশ নিই।”

[“এই ইভিএমে ভোট হলে লন্ডনেও ফুটবে পদ্ম”, শিব সেনার নয়া কটাক্ষ]

এদিকে অসমের একটি দৈনিকে ভূপেন হাজারিকার ছেলে তেজ জানিয়েছেন, “আমি অসমের বর্তমান পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। সুধাকণ্ঠ ভূপেন হাজারিকা সব সময় অসমের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অসমের হয়ে লড়াই এবং আন্দোলন করেছেন। তাই আমরা এই সম্মান গ্রহণ করতে অস্বীকার করছি। ছেলে হিসেবে আমি জানাচ্ছি, ভারত সরকার বাবাকে যে মরণোত্তর সম্মান প্রদর্শন করছে, তা আমরা গ্রহণ করছি না।”

Advertisement

[টুইটারে ভারতের দ্রুততম ট্রেনের ‘নকল’ ভিডিও পোস্ট, বিতর্কে রেলমন্ত্রী]

তেজ এও জানিয়েছেন, সরকার ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত ভারতরত্ন সম্মান গ্রহণ করার জন্য তাদের কাছে কোনওরকম আমন্ত্রণ আসেনি। শিল্পীপুত্র সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের সম্মানের থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করাটা বেশি জরুরি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বাবার নাম অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগানো হচ্ছে এই বিলটি পাশ করার জন্য। আমরা কোনওভাবেই এই অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক এবং ভারত-বিরোধী আইনকে সমর্থন করতে পারি না।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.