সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার ভোটে আর বাকি মেরেকেটে মাসখানেক। অবশেষে চিরাগ পাসওয়ান নিয়ে খানিকটা স্বস্তিতে বিজেপি। দীর্ঘ আলোচনার পর বিজেপি জানিয়ে দিল, আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার পথে। দুই শিবির দীর্ঘ আলোচনার পর ঐক্যমতে পৌঁছেছে। এলজেপি শিবিরের বক্তব্যও অনেকটা একই। তারাও বলছে, আসনরফা সূত্র প্রায় চূড়ান্ত। কিন্তু কোনও শিবিরই ঠিকঠাক আসনের সংখ্যাটা জানাচ্ছে না।
দিন কয়েক আগে পর্যন্ত আলোচনা চলছিল চিরাগ আদৌ এনডিএতে থাকবেন কিনা, সেটা নিয়ে। এমনকী মাঝে এলজেপি প্রধান যেভাবে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখছিলেন, তাতে এনডিএ শিবিরে টেনশনের চোরাস্রোতও বইছিল। চিরাগ বিহার বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে দেখাই করতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে জট কাটে। প্রথমে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পরে অমিত শাহর ডেপুটি নিত্যানন্দ রাইয়ের সঙ্গে আলোচনায় বরফ গলে। এলজেপি সূত্রের খবর, চিরাগ পাসওয়ান বিজেপির সঙ্গ ছাড়ছেন না। তিনি ভোটে লড়বেন এনডিএর অংশ হিসাবেই।
দীর্ঘক্ষণ চিরাগের সঙ্গে আলোচনার পর নিত্যানন্দ রাই ঘোষণা করেছেন, আসনরফা সঠিক পথেই এগোচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। চিরাগের দলও সেকথাই বলছে। সূত্রের খবর, চিরাগকে ২২টি আসনে লড়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিজেপি। প্রাথমিকভাবে চিরাগ অন্তত ৪০টি আসনে লড়াই করার দাবিতে অনড় ছিলেন। পরে আপস আলোচনায় তিনি ২৬ আসন পর্যন্ত নামতে রাজি হয়েছেন। চার আসন নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। বিজেপি চাইছে যেভাবেই হোক চিরাগকে জোটে রেখে ভোটে যেতে। কারণ শেষ পর্যন্ত চিরাগ জোট ছেড়ে বেরিয়ে আলাদা লড়লে সেটা এনডিএর জন্য বড় ধাক্কা হবে। কুড়ির নির্বাচনে চিরাগ একা লড়ে সমূহ ক্ষতি করেছিলেন নীতীশ কুমারের। অন্তত গোটা তিরিশেক আসনে এনডিএ’র হারের কারণ হয়েছিলেন তিনি।
তবে এবার তেমন হচ্ছে না। চিরাগের স্পষ্ট ইঙ্গিত, যে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তিনি ভগবান রামচন্দ্র এবং নিজেকে তাঁর হনুমান বলতেন, সেই মোদিসঙ্গ তিনি ছাড়বেন না।
সর্বশেষ খবর
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
-
বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ার, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি!
-
পুলিশের জালে কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ
-
হোমিওপ্যাথিই শ্রেষ্ঠ! পোস্ট করে বিপাকে অনুষ্কা শর্মা, ‘অশিক্ষিত সেলেব’ বলে কটাক্ষ চিকিৎসকের
-
বঙ্গভবনে ক্ষণিকের ‘সৌজন্য সাক্ষাতে’ই বদলাল রাজ্য রাজনীতির ভাগ্য! ঋতব্রতর আড়ালে কার হাত?