Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Bihar

এলজেপি সাংসদের দুই তর্জনীতেই কালির দাগ! ‘জালিয়াতির’ বিরুদ্ধে সোচ্চার বিরোধীরা

'কে এর তদন্ত করবে?' প্রশ্ন আরজেডি নেত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৫, ২০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৫, ২০:১৫

options
link
এলজেপি সাংসদের দুই তর্জনীতেই কালির দাগ! ‘জালিয়াতির’ বিরুদ্ধে সোচ্চার বিরোধীরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি নেতা রাকেশ সিনহার বিরুদ্ধে উঠেছে দুই রাজ্য থেকেই ভোট দেওয়ার অভিযোগ। এবার অভিযোগের তির লোক জনশক্তি পার্টির (রাম বিলাস) নেত্রী শম্ভবী চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সমস্তিপুরের সাংসদের দুই তর্জনীতেই দেখা গিয়েছে কালির ছাপ! যাকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে পৌঁছেছে।

ভোটকেন্দ্রের বাইরে তোলা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ২৭ বছর বয়সি শাম্ভবী তাঁর বাবা জেডিইউ নেতা অশোক চৌধুরী এবং তার মা নীতা চৌধুরীর সঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। বুদ্ধ কলোনির সেন্ট পল স্কুলের একটি ভোটকেন্দ্রে তিনি সপরিবারে ভোট দিয়েছেন। মিডিয়ার উদ্দেশে কালি লাগানো আঙুল দেখাতে দেখা গিয়েছে। আর সেখানেই গোলমাল। শাম্ভবী প্রথমে তাঁর ডান হাত তুলে একটি কালি লাগানো আঙুল দেখান। এরপর দেখা যায় তাঁর বাম আঙুলেও কালির চিহ্ন! এরপর থেকেই সোশাল মিডিয়ায় জোর আলোচনা বিষয়টি নিয়ে।
ক্লিপটির প্রতিক্রিয়ায় আরজেডির জাতীয় মুখপাত্র কাঞ্চনা যাদব এক্স হ্যান্ডলে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। তাঁর খোঁচা ‘এটা জালিয়াতির সম্পূর্ণ নতুন ছবি। এলজেপি সাংসদ শাম্ভবী চৌধুরী তাঁর দুই হাতে কালি লেগে আছে, যার অর্থ তিনি দুবার ভোট দিয়েছেন। আর এটি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর বাবা অশোক চৌধুরী তাঁকে চোখ দেখিয়ে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। নির্বাচন কমিশন, এটা কীভাবে হচ্ছে? কে এর তদন্ত করবে?’ একই ভাবে প্রতিবাদে মুখর কংগ্রেসও।

Advertisement

এদিকে আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে অভিযোগ করেছেন যে, রাকেশ সিনহা নামের এক বিজেপি নেতা গত ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে ভোট দেন। বৃহস্পতিবারও তাঁকে ভোট দিতে দেখা গিয়েছে। সঙ্গে তিনি দু’টি আলাদা ছবিও শেয়ার করেছেন তাঁর ভোট দেওয়ার। রাকেশ অবশ্য জানাচ্ছেন, তিনি দিল্লিতে যখন ভোট দিয়েছিলেন, তখন তিনি সেখানকারই ভোটার ছিলেন। কিন্তু মাঝের সময় তিনি বিহারের ভোটার হিসেবেই নাম পরিবর্তিত করে নিয়েছেন। এদিকে অভিযোগ কেবলমাত্রা রাকেশের বিরুদ্ধেই নয়। বিজেপির দিল্লি পূর্বাচল মোর্চার সভাপতি সন্তোষ ওঝা ও দলীয় কর্মী নগেন্দ্র কুমারকেও দিল্লির পরে বিহারেও ভোট দিতে দেখা গিয়েছে বলেও দাবি বিরোধীদের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.