Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ফেসবুকে বাজপেয়ীর সমালোচনা, অধ্যাপককে গণপিটুনি দিয়ে পোড়ানোর চেষ্টা

ভাইরাল ঘটনার ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০১৮, ১০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০১৮, ১০:২৯

options
link
ফেসবুকে বাজপেয়ীর সমালোচনা, অধ্যাপককে গণপিটুনি দিয়ে পোড়ানোর চেষ্টা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবারই পঞ্চভূতে বিলীন হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। জননেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নেমেছিল রাজধানীতে। বিদেশ থেকেও এসেছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু প্রয়াত নেতার শেষকৃত্যের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ঘটল অনভিপ্রেত ঘটনা। বাজপেয়ীর বিরুদ্ধে সমালোচনা মূলক মন্তব্য করেছিলেন বিহারের মোতিহারি এলাকার মহাত্মা গান্ধী সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। সেই অপরাধেই তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হল। প্রায় ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী মিলে বেদম প্রহার করে অধ্যাপককে। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে তাঁকে। ভাইরাল হয়েছে ঘটনার ভিডিও।

[রাষ্ট্রীয় স্মৃতিস্থলে শেষকৃত্য সম্পন্ন বাজপেয়ীর, পঞ্চভূতে বিলীন ভারতীয় রাজনীতির ‘অজাতশত্রু’]

Advertisement

নিগৃহীত অধ্যাপকের নাম সঞ্জয় কুমার। বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিদ্যা পড়ান তিনি। বিতর্কিত পোস্টটি ১৭ তারিখ ফেসবুকে শেয়ার করেন সঞ্জয়। পোস্টের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর আজাদনগরের বাড়িতে চড়াও হয় প্রায় ২০-২৫ জন। মারতে মারতে তাঁকে ঘর থেকে বের করে আনা হয়। পরনের পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয়। রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে যেতে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দুষ্কৃতীরা অধ্যাপককে প্রশ্ন করছে, কানাইয়া কুমার হতে চান কি?

রাহুল কুমার পাণ্ডে, সানি বাজপেয়ী, অমন বিহারী বাজপেয়ী, পুরুষোত্তম মিশ্র, রবিকেশ মিশ্র, জ্ঞানেশ্বর গৌতম নামের একাধিক অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন সঞ্জয় কুমার। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন বহুল প্রচারিত হিন্দি সংবাদপত্রের  স্থানীয় ব্যুরো চিফ ডা. পবন কুমার সিং এবং কর্মী সঞ্জয় কুমার সিং। অধ্যাপকের অভিযোগ, সঞ্জয় কুমার সিং তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলেও কটাক্ষ করে এবং দুষ্কৃতীরা তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করে। ঘটনার পর পাটনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয় সঞ্জয়বাবুকে। তাঁর ইন্টারনাল হেমারেজ হয়েছে বলে মনে করছেন ডাক্তাররা। কিন্তু কেন এই হামলা? সঞ্জয়বাবু মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্জের কিছু সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। তারপর থেকেই অভিযুক্তরা তাঁর উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় তাঁরা আক্রমণের অজুহাত পেয়ে যায়।

[উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি নদীতে ভাসানো হবে বাজপেয়ীর চিতাভস্ম, জানালেন যোগী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.