Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে বিলকিস বানো

১৫ আগস্ট ধর্ষকদের মুক্তি দিয়েছিল গুজরাট সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২, ১৪:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২, ১৪:১০

options
link
ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে বিলকিস বানো zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিলকিস বানো (Bilkis Bano)। শীর্ষ আদালতের কাছে রিভিউ পিটিশন দায়ের করেছেন তিনি। ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আরেকবার বিবেচনা করে দেখুক শীর্ষ আদালত, আবেদন করেছেন বিলকিস, প্রসঙ্গত, গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। তার আগের দিনই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন করলেন বিলকিস। 

জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালের সাজা মকুব করার নিয়মের আওতায় ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। চলতি বছরের মে মাসের সেই সিদ্ধান্তের জেরেই আগস্ট মাসে ১১ জন ধর্ষকদের মুক্তি দেয় গুজরাট সরকার। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়ে আবেদন করেছেন বিলকিস। প্রসঙ্গত, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালতে। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও এই আবেদন জানিয়েছিলেন। 

[আরও পড়ুন: ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি সবচেয়ে সহনশীল ভারত, পাকিস্তান ১০৪তম, তালিকা ভারতীয় সংস্থার]

ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের কাছে এই মামলার শুনানির আবেদন করেছেন বিলকিসের আইনজীবী। চন্দ্রচূড় জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে একটি মামলার শুনানি চলছে। একই বেঞ্চে এক সঙ্গে দু’টি মামলার শুনানি করা যায় কিনা, সেই বিষয়টি ভেবে দেখবেন তিনি।  প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরা হিংসার সময়ে অন্ত্বসত্ত্বা বিলকিসকে গণধর্ষণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের খুনের অভিযোগে ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। 

গুজরাট সরকারের নির্দেশে ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার পরেই দেশজুড়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে, ধর্ষকদের কার্যত বীরের সম্মান দিয়ে বরণ করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে। তারপরেই গুজরাট সরকারের কাছে হলফনামা তলব করে শীর্ষ আদালত। তবে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই চান, সিদ্ধান্ত বদল করুক গুজরাট সরকার। ফের জেলে বন্দি করা হোক অপরাধীদের।

[আরও পড়ুন: স্থায়ী চাকরি অলীক গুজরাটের শিল্পাঞ্চলে, শ্রমিক সংগঠনও নিষিদ্ধ মোদি-গড়ে!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.