Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Kamal Nath

এবার বিজেপির সংগঠনের ভূয়সী প্রশংসা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কমল নাথের, ব্যাপারটা কী?

মাসখানেক আগেই কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতার পদ ছেড়েছেন কমল নাথ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২২, ১৬:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২২, ১৬:১২

options
link
এবার বিজেপির সংগঠনের ভূয়সী প্রশংসা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কমল নাথের, ব্যাপারটা কী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাসখানেক আগেই তিনি মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতার পদ ছেড়েছেন। ইচ্ছে ছিল সংগঠনের কাজ করবেন। সেই কমল নাথ (Kamal Nath) এবার ভূয়সী প্রশংসা করলেন বিজেপির সংগঠনের।

মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলে দিলেন, বিজেপির কর্মীরা নিজে থেকে গিয়ে কাজ করেন। কারও নির্দেশের প্রয়োজন হয় না। আর কংগ্রেসের (Congress) কর্মীদের ঠেলে ঠেলে কাজ করাতে হয়। ভোপালে দলের এক কর্মীসভায় শুক্রবার কমল নাথ বলেন,”বিজেপিতে কেউ কর্মীদের বলে না মাঠে নেমে কাজ করো, এখানে যাও সেখানে যাও, এই কাজটা করো, সেই কাজটা করো। ওরা নিজেরাই এটা করে। আর কংগ্রেসের সমস্যা হল, সবাই নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করে।” কমল নাথের বক্তব্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেমন কংগ্রেসের জন্য চ্যালেঞ্জ। তেমনি দলের সংগঠনও দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। নিজেদের সংগঠনের কাছে হেরে যাওয়াটাই কংগ্রেসের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে মনে করছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আচমকা লন্ডন সফর বাতিল ব্রাত্য বসুর, কারণ নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা]

কমল নাথ এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। দিন কয়েক আগে দলের রাজ্য ইউনিটের তরফে তাঁকে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণাও করে দেওয়া হয়েছে। এ হেন নেতা কিনা করছেন বিজেপির (BJP) প্রশংসা! যদিও মধ্যপ্রদেশ প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতির এই বক্তব্যে জল্পনার কোনও অবকাশ নেই। কমল নাথ দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশের অবিসংবাদী নেতাও। সুতরাং তিনি অন্তত অদূর ভবিষ্যতে বিজেপিতে যোগ দেবেন না।

[আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় টানাপোড়েনের মাঝেই রাজ্যের শিক্ষা কমিশনার বদল]

তিনি শুধু কংগ্রেসের সংগঠনের ভুলত্রুটিগুলি কর্মীদের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন। আর তাতেই উঠে এসেছে বিজেপির প্রসঙ্গ। বস্তুত মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এদিন ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিয়েছেন, বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি এই মুহূর্তে কংগ্রেসের থেকে অনেক বেশি। আর সেটাই দলের ক্ষমতায় ফেরার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.