Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Locket Chatterjee

লকেটকে সামনে রেখে দিল্লির দুর্গাপুজো কমিটিগুলির মন জয়ের চেষ্টা বিজেপির! ‘বাঙালি হেনস্তা’য় প্রলেপ?

সম্প্রতি বাংলা ভাষাকে ‘বাংলাদেশি’ ভাষা বলে দাগিয়ে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ০১:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ০১:৫৩

options
link
লকেটকে সামনে রেখে দিল্লির দুর্গাপুজো কমিটিগুলির মন জয়ের চেষ্টা বিজেপির! ‘বাঙালি হেনস্তা’য় প্রলেপ? zoom

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: দিল্লি-সহ একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি রাজধানীর বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে চূড়ান্ত হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে সামনে রেখে দিল্লির দুর্গাপুজো কমিটিগুলির মন জয়ের চেষ্টা শুরু করে দিল গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ‘বাঙালি হেনস্তা’য় প্রলেপ দিতেই বিজেপির এই নতুন অস্ত্র।

রবিবার রাজধানীতে বিজেপির সদর দপ্তরে দিল্লি প্রদেশ বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা এবং পুজো কমিটিগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রথম দফার বৈঠক করেন লকেট। সেখানে কমিটিগুলির সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। সোমবার দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনার সঙ্গে দেখা করেন লকেট। সেখানে উপস্থিতি ছিলেন বীরেন্দ্র এবং পুজো কমিটির সদস্যরাও। দুর্গাপুজো করার ক্ষেত্রে পুজো কমিটিগুলিকে যাতে সবরকমভাবে সাহায্য করা হয়, সেই অনুরোধও করেছেন বিজেপি নেত্রী। বৈঠক শেষে লকেট বলেন, “উপরাজ্যপাল সাক্সেনাজির সঙ্গে ভালো বৈঠক হয়েছে। কমিটির সদস্যরা তাঁদের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। উনি শীঘ্রই সেগুলি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।” উল্লেখ্য, রাজধানীতে দুর্গাপুজো নিয়ে এই প্রথমবার আগ্রহ দেখাল বিজেপি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে ‘বাঙালি হেনস্তা’র জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েছে গেরুয়া শিবির। তাছাড়া আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বাঙালি আবেগ উস্কে দিতেই দিল্লির পুজো কমিটিগুলিকে ঢাল করতে চাইছে বিজেপি। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে দিল্লি পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে ৮ জনকে আটক করে। তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। যেগুলি লেখা ছিল বাংলা ভাষায়। আর সেই সব নথির তথ্য যাচাইয়ের জন্য একজন অনুবাদক দরকার। এই মর্মেই বঙ্গভবনে একটি চিঠি দেয় দিল্লি পুলিশ। সেই চিঠিতেই বাংলা ভাষাকে ‘বাংলাদেশি’ ভাষার তকমা দেওয়া হয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে দিল্লি পুলিশ। ঘটনাটির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় তৃণমূল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপিকে একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহে লকেটকে সামনে রেখে এবার দিল্লির দুর্গাপুজো কমিটিগুলির মন জয়ের চেষ্টা শুরু করে দিল বিজেপি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.