Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
BJP

রাস্তাতেই সঙ্গমে ব্যস্ত, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পর অবশেষে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা

সিসিটিভি ফুটেজ সোশাল মিডিয়ায় ছড়াল কী করে? প্রশ্ন পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৫, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৫, ১৪:৩৪

options
link
রাস্তাতেই সঙ্গমে ব্যস্ত, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পর অবশেষে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাস্তার মধ্যেই সঙ্গমে ব্যস্ত বিজেপি নেতার ভিডিও ভাইরাল হতেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছেয়ে যায় সোশাল মিডিয়ায়। অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল মধ্যপ্রদেশের সেই বিজেপি নেতাকে। যদিও ওই ব্যক্তিকে দলের সদস্য হিসাবে স্বীকার করতে নারাজ বিজেপি।

সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হতেই জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি বিজেপি নেতা মনোহরলাল ধকড়। তিনি মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর জেলার বাসিন্দা। তাঁর স্ত্রী সোনাই সাউ মন্দসৌর জেলা পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। জানা যায়, বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৩ মে, দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসে। হাই সিকিউরিটি জোনে পুরো এলাকা সিসিটিভি দিয়ে মোড়া। মাঝ রাস্তায় বিজেপি নেতা মনোহরলালের সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার ফুটেজ ধরা পড়েছে সেখানে। সেই ফুটেজে সাদা গাড়ির নম্বর প্লেটও স্পষ্ট। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়িটিও ওই অভিযুক্ত বিজেপি নেতার নামেই পরিবহণ দপ্তরে নথিভুক্ত রয়েছে।

Advertisement

ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়। অবশেষে রবিবার মনোহরলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভানপুরা থানা স্বতোঃপ্রণোদিত অভিযোগ দায়ের করেছিল মনোহরলালের বিরুদ্ধে। ওই থানার তদন্তকারী আধিকারিক আর সি ডাঙ্গি জানান, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে মনোহরলালের বিরুদ্ধে। তবে তাঁর সঙ্গে যে মহিলাকে দেখা গিয়েছিল তাঁকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

পুলিশের কথায়, আরও অনেক বিষয় নিয়ে তদন্ত করতে হবে। রাস্তার ধারের সিসিটিভি ফুটেজ কী করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল? এই ফুটেজ পাওয়ামাত্র পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। তা না করে কারা ছড়িয়ে দিল সর্বত্র। এই ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা সেটাও তদন্তসাপেক্ষ। যদিও এই ঘটনার শুরু থেকেই মনোহরলালের থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্বের দাবি, মিসড কল দিলেই দলের সদস্যপদ পাওয়া যায়। সেটাকে বিজেপি নেতা হিসাবে কাউকে আখ্যা দেওয়া যায় না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.