সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটি বিতর্কিত ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে বাদুড়িয়া, বসিরহাট। রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ বারবার আবেদন জানিয়েছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে উসকানিমূলক কোনও পোস্ট ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করবেন না। একের পর এক ভুয়ো ফেসবুক প্রোফাইল ‘ব্লক’ করেও এই সমস্যার সুরাহা করতে পারছে না প্রশাসন, খোদ মুখ্যমন্ত্রী এই কথা স্বীকার করে নিয়য়েছেন। ভুয়ো ছবি ‘ভাইরাল’ করে অশান্তি ছড়ানোর প্রবণতা যে এখনই থামছে না, এক বিজেপি নেত্রীর সাম্প্রতিক কীর্তিতে সেই কথা আরও একবার স্পষ্ট হল।

পুলিশ ও প্রশাসনের সতর্কতার তোয়াক্কা না করে এবার একটি ভোজপুরি সিনেমার দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হরিয়ানার বিজেপি নেত্রী বিজেতা মালিকের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জনপ্রিয় ভোজপুরি সিনেমা ‘অওরত খিলোনা নেহি’-র একটি দৃশ্য তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সঙ্গে লেখেন, ‘বাংলায় এভাবেই হিন্দু মহিলাদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে।’ আদতে ওই ছবিটি সিনেমারই একটি দৃশ্যের। যেখানে ভিলেনের হাতে নিগৃহীতা হতে দেখা যাচ্ছে এক অভিনেত্রীকে। ওই ‘ফিল্মি’ দৃশ্যকে এ রাজ্যের বাস্তবতা বলে উল্লেখ করেন অভিযুক্ত বিজেপি নেত্রী।
তিনি আরও লিখেছেন, “এভাবেই প্রকাশ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচার হচ্ছে আর সরকার চুপ করে রয়েছে। কেউ এই ঘটনার বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না বা পুরস্কার ফিরিয়ে দিচ্ছেন না।” হাস্যকর ঘটনা হল, ওই সিনেমার নায়ক খোদ বিজেপি নেতা ও দিল্লিতে দলের মুখ্য পর্যবেক্ষক মনোজ তিওয়ারি। দ্রুতই ওই ছবিটি ভাইরাল হয়ে ওঠে। তবে আসল সত্যিটা ফাঁস হয়ে যেতেই বদলে যায় ঘটনাক্রম। নেটিজেনরা এই ঘটনার প্রবল সমালোচনা করতে থাকেন। অনেকেই অভিযুক্ত নেত্রীর গ্রেপ্তারি দাবি করেছেন। বিপাকে পড়ে ফেসবুক ও টুইটার থেকে নকল ছবিটি মুছে দেন ওই বিজেপি নেত্রী। তবে ‘ড্যামেজ’ যা হওয়ার ততক্ষণে হয়ে গিয়েছে।
[দাঙ্গায় উসকানি, রাজ্যে ‘নিষিদ্ধ’ হতে চলেছে কয়েকটি হিন্দু ও মুসলিম সংগঠন]
সর্বশেষ খবর
-
রুশ তেল কেনার শাস্তি! ভারতের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপাতে নয়া বিল আমেরিকায়
-
সাতসকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল জলের ট্যাঙ্ক! আহত ২, তুমুল শোরগোল অন্ডালে
-
বাস্তিল দিবসেই শেষ ফরাসি বিপ্লব, এমবাপেদের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে স্প্যানিশ আর্মাডা
-
সোশাল মিডিয়ায় ডাকা হত খদ্দের! কসবার হোটেলে রমরমিয়ে মধুচক্র, উদ্ধার নাবালিকা-সহ ৩
-
এক পদে দু’বছরের বেশি নয়! দুর্নীতি রুখতে একাধিক দপ্তরে কঠোর বদলি নীতি রাজ্যের