Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘বিজেপির দাক্ষিণাত্য অভিযান শুরু’, হাসিমুখে বলছেন নেপথ্যের কারিগর রাম মাধব

কংগ্রেসের গড়ে দলকে জেতানোর দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০১৮, ১২:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০১৮, ১২:৫২

options
link
‘বিজেপির দাক্ষিণাত্য অভিযান শুরু’, হাসিমুখে বলছেন নেপথ্যের কারিগর রাম মাধব zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিমধ্যেই কুড়িটিরও বেশি রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রীতিমতো দাপট দেখিয়ে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে। বিপুল এই জয়ের পিছনে মোদি ম্যাজিক তো আছেই। আছে অমিত শাহর সাংগঠনিক কুশলতা। সেই সঙ্গে প্রতিবারই উঠে আসে একজনের নাম। তিনি রাম মাধব। কর্ণাটকে দল যখন জয়ের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে, তখন তিনি হাসতে হাসতে বলছেন, বিজেপির দাক্ষিণাত্য অভিযান এই শুরু হল।

[  ‘কর্ণাটকে অন্যরকম ফল হতে পারত’, ফের বিরোধী জোটের পক্ষে সওয়াল মমতার ]

Advertisement

এখনও পর্যন্ত ভোটের হাওয়া যেদিকে, তাতে গেরুয়া শিবিরের ক্ষমতায় আসা প্রায় অবধারিত। নানা জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে শুরু হয়েছে আবির খেলা। কোথাও চলছে মিষ্টিমুখ। গুজরাট ভোট যদি বিজেপির কাছে অ্যাসিড টেস্ট হয়, তবে অন্যতম কঠিন পরীক্ষা ছিল এই কর্ণাটক নির্বাচন। এমন একটা সময় এ ভোট হল, যখন দেখা যাচ্ছে, মোদি ম্যাজিক সেই আগের মতো আর নেই। অথচ প্রায় হাসতে হাসতেই কংগ্রেসের গড় দখল করে নিতে চলেছে বিজেপি। না, শুধু হাসতে হাসতে বললে ভুল বলা হবে। এর নেপথ্যে আছে সাংগঠনিক শক্তি ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা। এবং রাম মাধবের মতো নেপথ্যের কারিগররা।

কর্ণাটকে হারের মুখে পড়ে সেই ইভিএম কারচুপির ‘ভূত’ দেখছে কংগ্রেস ]

এর আগে ত্রিপুরা ভোটের সময়ও উঠে এসেছিল তাঁর নাম। বাম দুর্গ দখল করতে ঘুঁটি সাজিয়েছিলেন রাম মাধবই। নিয়োগ করা হয় সুনীল দেওধরকে। প্রায় বছরখানেক ধরে তলে তলে প্রস্তুতি নিয়ে গেরুয়া শিবিরের পক্ষে হাওয়া টেনে আনা হয়। কর্ণাটক ভোটের ক্ষেত্রেও এই বিশ্বস্ত সৈনিকের উপর ভরসা রেখেছিলেন অমিত শাহ। গোটা দেশে বিজেপির জয়যাত্রা অক্ষুণ্ণ রাখতে একটি টিম তৈরি করেছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। মোট ১১ জন পোল ম্যানেজার আছেন, যাঁদের হাতে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরার পর রাম মাধবকে দেওয়া হয়েছিল হায়দরাবাদ-কর্ণাটকের দায়িত্ব। দলের দুর্বলতম জায়গা ছিল এই রাজ্য। কংগ্রেস তো পুনরায় ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসীই ছিল। সেই পরিস্থিতিতেই কাজ শুরু করেন রাম মাধব। শুরু হয় মিটিং। নাগরিক ক্ষেত্রে, বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে নিয়ে একের পর এক বৈঠক করেন রাম মাধব। শুরু হয় প্রচার। ধীরে ধীরে কংগ্রেসের পাল থেকে হাওয়া কেড়ে নেন তিনি। যার ফলাফল আজ ইভিএমে স্পষ্ট।

স্বভাবতই এই ফলাফলে তিনি খুশি। ফল যখন প্রায় স্পষ্ট, তখন তিনি হাসিমুখে জানাচ্ছেন, বিজেপির দাক্ষিণাত্য অভিযান এই শুরু হল। যদিও বিনয়ের সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন এ কৃতিত্ব মোদি ও অমিত শাহের কঠিন পরিশ্রমের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.