Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

ভারতে বাড়ছে ‘নীল তিমি’র শিকার, আত্মঘাতী আরও এক পড়ুয়া

গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ১৯ বছরের পড়ুয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৯, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৯, ১৭:৪২

options
link
ভারতে বাড়ছে ‘নীল তিমি’র শিকার, আত্মঘাতী আরও এক পড়ুয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের মারণকামড় নীল তিমির। এবার শিকার তামিলনাড়ুর এক পড়ুয়া। সূত্রের খবর, ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ শেষ করতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ১৯ বছরের এক পড়ুয়া।

[এবার প্রাণ কাড়তে হাজির মারণ গেম ‘সল্ট অ্যান্ড আইস’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বিঘ্নেশের দেহ। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সে। ওই সময়ই মৃতের বাঁ হাতে ‘নীল তিমির’ উলকি নজরে পড়ে তদন্তকারীদের। পাওয়া যায় একটি সুইসাইড নোটও। সেখানে লেখা ছিল, “ভয়ানক এই গেম। একবার ঢুকে পড়লে আর বেরোনোর উপায় নেই।” এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছেন পুলিশ কর্তারা। জোরকদমে শুরু হয়েছে তদন্ত। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মৃতের বন্ধুদের। বাণিজ্য বভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন বিঘ্নেশ। বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধুদের এড়িয়ে যাচ্ছিলেন ওই পড়ুয়া। মোবাইলেই বেশি সময় কাটাচ্ছিলেন। তবে এছাড়া অস্বাভাবিক কিছু নজরে পড়েনি বলেই তদন্তকারীদের জানিয়েছে মৃত ছাত্রের বন্ধুরা।

উল্লেখ্য, ভারতে দাবানলের মত ছড়িয়ে পরছে কিলার গেম ব্লু হোয়েল। ক্রমেই গেমটির প্রতি আসক্ত হয়ে উঠছে কিশোর-কিশোরীরা। চলতি মাসেই মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ ও কেরলে নীল তিমির কবলে পড়ে মৃত্যু হয় তিন জনের। পশ্চিমবঙ্গেও হানা দিয়েছে নীল তিমি। কয়েকদিন আগেই এই গেমের শিকার হয় মেদিনীপুরের এক পড়ুয়া। খোদ কলকাতার বুকেই মারণ গেমটির কবলে পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক ছাত্র। অবশেষে পুলিশি তৎপরতায় রক্ষা পায় সে। তবে শুধু ব্লু হোয়েল নয়, পশ্চিমবঙ্গে হানা দিয়েছে ‘সল্ট অ্যান্ড আইস’ নামের আরেক কিলার গেম। বুধবার ওই গেমটির চ্যালেঞ্জ শেষ করতে গিয়ে অল্পের জন্য মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায় এক পড়ুয়া।

[ফসল বাঁচাতে স্কুলে বন্দি গরুর পাল, পড়াশোনা লাটে যোগীর রাজ্যের স্কুলে]

উল্লেখ্য, এই মারণ গেমের নির্মাতার পর এবার পুলিশের জালে আরেক পাণ্ডা। রাশিয়ায় ধরা পড়েছে ১৭ বছরের এক কিশোর। অভিযোগ, ওই কিশোরই বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছিল মারণ গেমটিকে। পর্দার আড়ালে থেকে কেড়ে নিচ্ছিল প্রাণ। তবে এত কিছুর পরও এই মারণ গেমটির প্রসার থামানো যাচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.