Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

গুলির লড়াই শেষে উদ্ধার তিন জঙ্গির মৃতদেহ, বদলার হুঁশিয়ারি রাজনাথের

গোটা দেশ শহিদদের পাশে রয়েছে, আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০১৮, ১২:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০১৮, ১২:০৮

options
link
গুলির লড়াই শেষে উদ্ধার তিন জঙ্গির মৃতদেহ, বদলার হুঁশিয়ারি রাজনাথের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৪৮ ঘন্টা ধরে তীব্র গুলির লড়াইয়ের পর অবশেষে পুলওয়ামায় জঙ্গিদমন অপারেশন শেষ করল ভারতের সশস্ত্র বাহিনী। লেঠপোরা সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স ক্যাম্পের ভিতর থেকে উদ্ধার হল তৃতীয় তথা শেষ হামলাকারী জঙ্গির মৃতদেহ। তার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই অপারেশন শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা করল সেনা। জঙ্গিদের হামলায় এই পর্যন্ত ৫ সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের হুঁশিয়ারি, একজন জওয়ানেরও মৃত্যুও বিফলে যাবে না। জঙ্গিদের এই হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা করেন রাজনাথ।

[পাক হামলা চলছেই, সার্জিক্যাল স্ট্রাইককে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ কংগ্রেস নেতার]

জম্মু ও কাশ্মীরে সেনা ক্যাম্পে রবিবার হামলা চালায় ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের তিন সদস্য। ক্যাম্পে এলোপাথাড়ি চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করার পর জঙ্গিরা কাছের একটি বাড়িতে আত্মগোপন করে। রবিবারই প্রাণের পরোয়া না করে দুই জঙ্গিকে নিকেশ করে সেনা। সোমবার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেনার অভিযান দ্বিতীয় দিনে পড়ল। এদিনের অভিযানে শেষ জঙ্গিও মারা পড়েছে। মৃত জঙ্গিদের মধ্যে একজন দশম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ফোর্সের সদস্য। সিআরপিএফের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রাত দু’টো নাগাদ জঙ্গিরা হামলা চালায়। তাদের কাছে আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার ও স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। ক্যাম্পে ঢোকার মুখে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়। জঙ্গিদের এলোপাথাড়ি গুলিতে তিনজন আহত হন।

Advertisement

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিজি এসপি বৈদ্য জানিয়েছেন, হামলা যে একটা হবে, সে তথ্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে ছিল। সেনার গুলিতে উপত্যকায় একের পর এক জইশ জঙ্গির মৃত্যুর বদলা নিতেই বড়সড় হামলার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করছিল জঙ্গিরা। স্থানীয় জঙ্গিদের মদত পেয়ে এই প্রথম এলাকায় আত্মঘাতী হামলা চালাল জঙ্গিরা। জঙ্গি হামলায় শহিদদের মধ্যে রয়েছেন হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরের কুলদীপ রায়, রজৌরির হেড কনস্টেবল তওফেল আহমেদ, বুদগামের কনস্টেবল শরিফ উদ্দিন গানাই, রাজস্থানের রাজেন্দ্র নৈন ও ওড়িশার সুন্দরগড়ের পিকে পান্ডা। তাঁদের মধ্যে চারজন বুলেটের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন। কুলদীপ মারা গিয়েছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে।

[পুলিশের ছেলের হাতেই শহিদ পাঁচ সেনা, পুলওয়ামায় নয়া ত্রাস]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.