Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

প্রবল বিরোধিতার মুখে ধাক্কা খেল বসুন্ধরা রাজে সরকার, হিমঘরে নয়া বিল

ফাটল দলের অন্দরেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০১৭, ০৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০১৭, ০৯:৪২

options
link
প্রবল বিরোধিতার মুখে ধাক্কা খেল বসুন্ধরা রাজে সরকার, হিমঘরে নয়া বিল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড়সড় ধাক্কা খেল রাজস্থানের বসুন্ধরা রাজে সরকার। প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়ে আপাতত হিমঘরে রাজে সরকারের দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের আড়াল করতে আনা নয়া আইন।


মঙ্গলবার, বিরোধী পক্ষ ও দলীয় নেতাদের একাংশের বিরোধিতায়, ‘দ্য ক্রিমিনাল ল’ অর্ডিন্যান্স, ২০১৭’ নামের এই আইনটিকে সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।  ১৫ সদস্যরে এই কমিটিকে নেতৃত্ব দেবেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুলাবচন্দ কাটারিয়া।  সেপ্টেম্বর মাসে এই অর্ডিন্যান্সটি বিধানসভায় পেশ করে রাজে সরকার। এই নয়া আইন মোতাবেক কোনও বিচারপতি, প্রাক্তন-বিচারপতি, সরকারি আমলার বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত করা যাবে না। তারপরই দানা বাঁধে বিতর্ক।  বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, নিজের দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের আড়াল করতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে।

[দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের আড়াল করতে ‘রক্ষাকবচ’ রাজস্থান সরকারের]  

তবে শুধু বিপক্ষই নয় এই অর্ডিন্যান্স নিয়ে ফাটল রাজে শিবিরের অন্দরেও। এই আইনের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা তথা রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী ঘনশ্যাম তিওয়ারি। এই আইন প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য এমন অগণতান্ত্রিক আইনের জন্য কোনও সিলেক্ট কমিটির প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি যে প্রতিকূল তা আঁচ করতে পেরেই সোমবার নিজের বাসভবনে দলীয় নেতা ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী রাজে। সেখানেই আইনটিকে সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


নজিরবিহীনভাবে এই নয়া আইনে বিচারব্যবস্থা ও সংবাদমাধ্যমের উপর রাশ টানার ব্যবস্থা করেছে রাজে সরকার। আইন চালু হলে সরকারের অনুমোদন ছাড়া আমলা ও বিচারপতিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় তদন্তের নির্দশ দিতে পারবে না আদালত। কোনও ধরনের তদন্ত চালাতে পারবে না পুলিশও। কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ করা হলে তিনি ১৮০ দিনের জন্য নিজেকে বাঁচানোর সময় পাবেন। ওই সময়ের মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে না আদালতও। এবং ১৮০ দিনের মধ্যে সরকার আপত্তি জানালে ওই অভিযোগে আর তদন্ত করা যাবে না। শুধু তাই নয়, শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও আমলা বা বিচারপতিদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না। এই নিয়মের অন্যথা হলে দু’বছরের সাজার নিদানও রয়েছে এই বিলে।

[জরুরি অবতরণের মহড়া, বায়ুসেনার সুখোই-মিরাজ দেখতে ভিড় বাসিন্দাদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.