Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Braveheart nurse

কোয়ারেন্টাইন থেকে বেরিয়েই ডিউটিতে ফিরতে চান করোনামুক্ত নার্স

৩২ বছরের ওই যুবতীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২০, ১৬:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২০, ১৬:০৩

options
link
কোয়ারেন্টাইন থেকে বেরিয়েই ডিউটিতে ফিরতে চান করোনামুক্ত নার্স zoom
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাড়ি ফিরছেন রেশমা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আক্রান্তদের সেবা করতে গিয়ে করোনা ভাইরাস (Corona Virus) -এর কবল পড়েছিলেন। কিন্তু, নিজের রোগ প্রতিরোধ শক্তি ও চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে রক্ষা পেয়েছেন এই যাত্রায়! সদ্য মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেও কিন্তু নিজের কর্তব্য ভুলতে পারছেন না তিনি। যে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আরও অনেক মানুষকে সাহায্য করতে চান। ফিরতে চান আইসোলেশন ওয়ার্ডে। কেরলের ওই মহিয়সী নার্সের নাম রেশমা মোহনদাস। তাঁর এই দৃঢ় মনোভাবের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কেরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা। রেশমাকে ফোন করে করোনা যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছেন।

করোনা ভাইরাসের কবল থেকে সুস্থ হওয়ার পর গত শুক্রবার পথনমঠিট্টার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান ৩২ বছরের ওই যুবতী। তারপর কেরলের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর অগাধ আস্থা প্রকাশ করে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন করোনাকে। হাসপাতাল থেকে বেরনোর সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, ‘আমি তোমাকে হারিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘর থেকে বেরোব।’ তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরেই ফের কাজ যোগ দিতে বলেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা যুদ্ধে জয়, হাততালি দিয়ে সুস্থ যুবককে অভিনন্দন জানাল গোটা হাসপাতাল ]

শুধু তাই নয়, হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভরতি থাকাকালীন সহকর্মীদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রেশমা লিখেছিলেন, ‘করোনা তোমাকে হারিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘর থেকে বেরব। এই কথাটা আমি এখানে পোস্ট করেছি কারণ কেরলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি আমার পুরোপুরি আস্থা আছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইটালি থেকে আসা নাতি-নাতনির কারণে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন পথনমঠিট্টার ৯৩ বছরের থমাস আব্রাহাম ও তাঁর ৮৮ বছরের স্ত্রী মারিয়াম্মা। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাঁদের স্থানীয় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। গত ১২ মার্চ থেকে সেখানে তাঁদের চিকিৎসা পরিষেবার কাজে যুক্ত ছিলেন ৩২ বছরের রেশমা। গত ২৪ মার্চ রেশমার শারীরিক পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপরই বৃদ্ধ দম্পতির পাশাপাশি চিকিৎসা শুরু হয় তাঁর। এক সপ্তাহ পরে দেখা যায় আব্রাহাম ও মারিয়াম্মার মতো সুস্থ হয়ে উঠেছেন রেশমাও।

[আরও পড়ুন: তবলিঘি জামাত যোগ, পালানোর সময় বিমানবন্দরে পাকড়াও ৮ বিদেশি নাগরিক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.