সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিসেম্বরের ১ তারিখ ছিল বিয়ের দিন৷ গন্তব্য ছিল আজমগড়৷ সেই মতো বাবা ও চার ভাইবোনের সঙ্গে ইন্দৌর-পাটনা এক্সপ্রেসে চেপে বসেছিলেন রুবি গুপ্তা৷ ভোররাতে এক ঝটকায় সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেল বছর কুড়ির তরুণীর জীবনে৷ ছাদনাতলায় মনে হয় আর বসা হল না রুবির৷
ভোর সওয়া তিনটে নাগাদ কানপুরের কাছে ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি৷ ইন্দৌর থেকে পাটনা যাওয়ার পথে কানপুরের কাছে মালসার ও পুখরায়ন স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হয়ে যায় অন্তত চোদ্দটি কামরা৷ নিহত শতাধিক৷ আহতের সংখ্যা তারও বেশি৷ হাত ভেঙেছে রুবির৷ কোনও মতে প্রাণে বেঁচেছেন তিনি৷ কম-বেশি আঘাত লেগেছে তাঁর চার ভাইবোনেরও৷ অর্চনা, খুশি, অভিষেক, বিশাল সবারই খোঁজ মিলেছে৷ তবে খোঁজ মিলছে না বাবা রামপ্রসাদ গুপ্তার৷ বাবার খোঁজে এদিক-ওদিক হতভম্বের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন রুবি ও তাঁর ভাইবোন৷ কিন্তু কোথাও কোনও সুরাহা হচ্ছে না৷
কেউ কেউ বলছেন হাসপাতাল ও মর্গে খোঁজ নিতে৷ কিন্তু কুড়ি বছরের রুবি সাহসে ভর করে সেখানে গিয়ে উঠতে পারছেন না কিছুতেই৷ কী করবেন, কী না করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না৷ এমনকী পয়লা ডিসেম্বর বিয়েটা হবে কি না তাও বুঝতে পারছেন না রুবি৷ তবে বিয়ে নয়, এখন তাঁর চিন্তা শুধু বাবাকে নিয়ে৷
সর্বশেষ খবর
-
২৫ হাজার ‘ঘুষে’র দাবি, না পেয়ে নাবালিকার জোড়া লাগা পা ভাঙলেন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক!
-
তৃণমূলের ভাঙনে মোদির স্বপ্নপূরণ! ২৯-এর আগেই আসন পুনর্বিন্যাস কার্যকরে আসরে কেন্দ্র
-
প্রেম ফিকে হলেও বন্ধুত্ব চির-অমলিন, সম্পর্কের নয়া রসায়ন বাতলালেন তৃপ্তি দিমরি
-
মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ, গতি পেল সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ, জুড়ছে শিলিগুড়ি-সিকিম
-
বাতাসে বিষ! পরিবেশ বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথে হাঁটছেন শুভেন্দু