Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

বুদ্ধের এই শিক্ষা আজও জীবনে সাফল্যের সন্ধান দেয় মানুষকে

কী শিক্ষা দিয়েছিলেন তিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৭, ০৬:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৭, ০৬:৫৫

options
link
বুদ্ধের এই শিক্ষা আজও জীবনে সাফল্যের সন্ধান দেয় মানুষকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রাহ্মণ্যতন্ত্র হাজারও পঙ্কিলতা আর গোঁড়ামির আবর্তে না পড়লে হয়তো বৌদ্ধধর্মের উত্থানই হত না। তবে যে শিক্ষা গৌতম বুদ্ধ দিয়েছিলেন তা আজকের ভোগবাদী সময়েও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

কী শিক্ষা দিয়েছিলেন তিনি?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের শিখিয়েছিলেন তিনটি ধ্রুব সত্যের কথা।

১) এ পৃথিবীতে কিছুই হারিয়ে যায় না- বু্দ্ধ জানিয়েছিলেন, এ মহাবিশ্বে কোনও কিছুই হারায় না। বস্তু রূপান্তরিত হয় শক্তিতে। শক্তি আবার পরিণত হয় বস্তুতে। শুকিয়ে যাওয়া পাতা মাটিতে পরিণত হয়। আবার সেই মাটিতেই জন্মায় নতুন গাছ। বিজ্ঞান এভাবেই অঙ্গীভূত হয়েছিল তাঁর শিক্ষায়।

২) সবকিছুই পরিবর্তনশীল- জীবনে সবকিছুই পরিবর্তিত হতে থাকে। জীবন সর্বদা পরিবর্তনশীল। অনেকটা নদীর মতো। কখনও ধীরে প্রবাহিত হয়, কখনও গতিশীল। ঠিক যেখানে কোনওকিছু ঘটবে না বলে মনে হয়, তখনই অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটে। এই পরিবর্তনশীলতাই জীবন। পরবর্তীকালের দার্শনিকদের সঙ্গেও এ কথার মিল পাওয়া যাবে।

[‘ইতিহাস সংরক্ষণ করতে না পারলে, দেশরক্ষাও হয় না’]

৩) কারণ ও ফলাফল তত্ত্ব- যা কিছু ঘটছে, তার পিছনে কোনও না কোনও একটা কারণ আছে। যদি পাওনা কিছু না থাকে, তবে কোনও কিছুই আমাদের সঙ্গে ঘটে না। প্রত্যেকটা ঘটনা, যা আসলে ফলাফল, তার পিছনে নিশ্চিতই কিছু কারণ আছে। এই কারণ-ফলাফল তত্ত্বও বিজ্ঞানে স্বীকৃত।

asa_1455883698

বুদ্ধ শিখিয়েছিলেন চারটি মহৎ সত্যের কথা। সেই সত্যিগুলি হল-

দুর্ভোগ বা সাফারিং- মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয় চারটি কারণে। জন্ম, মৃত্যু, জরা ও অসুখে। কিন্তু এই যে দুর্ভোগ, তার পিছনে নির্দিষ্ট কোনও কারণ আছে। যেমন, কোনও না কোনও কারণ থাকলে তবেই অসুখ হয়। এটি দ্বিতীয় সত্য। এবার এই দুর্ভোগের শেষও আছে। সেটাই তৃতীয় সত্যি। সেটাই আসলে পরিবর্তনশীলতা। দুর্ভোগের কারণ খুঁজে ফেলে মানুষ যদি নিজেকে পরিবর্তিত করে নেয় তবে দুর্ভোগের শেষ। আর তা অর্জন হবে কীভাবে? এই পথ খুঁজতে গেলে দ্বারস্থ হতে হবে আটটি বিশেষ পন্থার। এই পন্থাগুলি হল, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, সঠিক ভাবনা, সঠিক বক্তব্য, সঠিক আচরণ, সঠিক যাপন, সঠিক চেষ্টা, সঠিক সচেতনতা ও সঠিক মনযোগ। এগুলি অনুশীলনের মাধ্যমেই জীবনে প্রকৃত পথের সন্ধান পেতে পারেন কেউ। আজকের দিনেও এই শিক্ষা, এই আচরণ মানুষকে যে জীবনের সাফল্যের সন্ধান দেবে, তা বলাই বাহুল্য।

[অবসাদ ঘোচাতে যোগই ভরসা উপত্যকার জওয়ানদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.