Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Covid Hospital

অসাধ্যসাধন DRDO’র, মাত্র ১২ দিনে দিল্লিতে তৈরি হল বিশ্বের বৃহত্তম কোভিড হাসপাতাল

প্রতিবেদনটি পড়ে জেনে নিন হাসপাতালের বিশেষ দিকগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২০, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২০, ১৮:০৭

options
link
অসাধ্যসাধন DRDO’র, মাত্র ১২ দিনে দিল্লিতে তৈরি হল বিশ্বের বৃহত্তম কোভিড হাসপাতাল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১০ দিনে হাজার শয্যার কোভিড হাসপাতাল (Covid Hospital) বানিয়ে দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল চিন (China)। এবার বিশ্বের বৃহত্তম কোভিড হাসপাতাল বানিয়ে ফেলল ভারত (India)। দিল্লির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ১০ হাজার শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল বানাল প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গবেষণার সরকারি সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। তাও মাত্র ১২ দিনে। কী নেই সেখানে! অত্যাধুনিক সুবিধাযুক্ত এই হাসপাতালে রবিবার থেকে রোগী ভরতি নেওয়া শুরু হল।

নাম ‘সর্দার প্যাটেল কোভিড কেয়ার সেন্টার অ্যান্ড হসপিটাল’। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি বিশাল ফাঁকা জমি ছিল। সেখানেই ১৭০০ ফুট লম্বা, ৭০০ ফুট চওড়া হাসপাতালটি বানানো হয়েছে। প্রায় ২০টি ফুটবল মাঠের সমান আয়তন। যা বিশ্বের মধ্যে বৃহত্তম (Largest Covid Hospital)। রবিবার এদিনই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজল রবিবার এই হাসপাতালের সূচনা করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন : রোজ ২৪ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যেত, মাধ্যমিকে ৯৮.৭৫% নম্বর পেল এই ছাত্রী]

হাসপাতালটিতে রয়েছে ৫০ শয্যার মোট ২০০টি আলাদা ঘেরা জায়গা। অর্থাৎ মোট ১০ হাজার বেড রয়েছে এই হাসপাতালে। প্রাথমিক ভাবে কোভিড আক্রান্ত মৃদু উপসর্গযুক্ত ও উপসর্গহীন করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করা হবে এই হাসপাতালে। তবে ২৫০ শয্যায় রয়েছে ICU-এর ব্যবস্থা। ১০ শতাংশ অর্থাৎ ১০০০ বেডে অক্সিজেন দেওয়া যাবে রোগীদের। যদি কোনও রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয় বা শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।

হাসপাতালটির পরিচালনার নোডাল এজেন্সি আইটিবিপি (ITBP)। তাঁরা আপাতত ২ হাজারটি বেডে পরিষেবা দেবেন। তার জন্য থাকছেন ১৭০ জন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ। থাকবেন সাতশো নার্স। পাশাপাশি থাকছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। যাতে করোনা আক্রান্তদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখা যায়। সেনাবাহিনীর মহিলা চিকিৎসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাধুরী কানিতকর বলেন, “এই সংখ্যাটা পরে রোগীর সংখ্যা অনুযায়ী রদবদল হবে।’’ দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর জানিয়েছেন, দিল্লি ও ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিওন (NCR)-এর বাসিন্দারা এই হাসপাতালে পরিষেবা পাবেন।

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় বর্জ্য নষ্ট করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই হাসপাতালের পাশাপাশি বিশাল ডাম্পিং গ্রাউন্ডও তৈরি হয়েছে। বসানো হয়েছে ১৮ হাজার টনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র (AC)।

প্রতিটি শয্যার কাছে থাকছে ল্যাপটপ-মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা। চাইলে তাঁরা মোবাইল ল্যাপটপ আনতে পারবেন, তবে তাতে ভিডিও-অডিও রেকর্ড করার ব্যবস্থা রাখা যাবে না। ব্যবহারক করতে হবে হেডফোন। পাশাপাশি, রোগীদের মন ভাল রাখার জন্য লাইব্রেরি, বোর্ড গেম খেলার ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। তবে তাঁদের আত্মীয়দের ভিতরে আসতে দেওয়া হবে না। খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে প্রতিটি বেডের কাছে। থাকবে ডাস্টবিনও।

এদিন হাসপাতাল পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী। পরে অমিত শাহ (Amit Shah) টুইটারে লিখেছেন, ‘‘সর্দার প্যাটেল কোভিড হাসপাতাল পরিদর্শন করলাম, যা রেকর্ড কম সময়ের মধ্যে টাটা সন্স, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় করে বানিয়েছে ডিআরডিও। এই সংকটের মোকাবিলায় এগিয়ে আসার জন্য ডিআরডিও, টাটা সন্স এবং আমাদের সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই।’’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “ডিআরডিও, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, টাটা সন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং অন্যান্য অনেকের সাহায্য ও সমন্বয়ে মাত্র ১২ দিনে এই হাসপাতাল তৈরি হয়েছে।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.