Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Russian Oil

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় কষ্টকর হয়ে উঠছে রুশ তেল আমদানি, দিল্লির কপালে ভাঁজ

মার্চ মাসের চাহিদা পূরণে রাশিয়া থেকে তেল আনার জন্য পর্যাপ্ত জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১৬:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১৬:৩৬

options
link
মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় কষ্টকর হয়ে উঠছে রুশ তেল আমদানি, দিল্লির কপালে ভাঁজ zoom
পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে শুশুকদের ক্ষতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল আনার জন্য জাহাজ পাচ্ছে না নয়াদিল্লি। নেপথ্যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। পর্যাপ্ত তেলের যোগান না পাওয়ায় যথেষ্ট উদ্বেগে ভারত। ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পরেশন লিমিটেড (বিপিসিএল)-এর তরফে জানানো হয়েছে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য সমস্যা না হলেও, মার্চ মাসের চাহিদা পূরণে রাশিয়া থেকে তেল আনার জন্য পর্যাপ্ত জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না।

আসলে বিদায় বেলায় গত ১০ জানুয়ারি রাশিয়ার তেলের উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বাইডেন প্রশাসন। যেখানে রাশিয়ার তেল উৎপাদক সংস্থা গ্যাজপ্রম এবং সারগুতনেফতেগ্যাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি তেল বহনকারী ১৮৩টি জাহাজ, জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী, বিমা সংস্থা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আমেরিকা। যার ফল, নিষিদ্ধ জাহাজগুলি যদি কোনও দেশের বন্দরে ঘাঁটি গাড়ে তবে মার্কিন রোষানলে পড়বে সেই দেশ। এবং অন্য দেশের জাহাজ ভাড়া করে রাশিয়া থেকে তেল আনতে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও, নিষেধাজ্ঞার ভয়ে জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে। তার উপর সুয়েজ ক্যানেল হয়ে এই পণ্য পরিবহনের রাস্তায় রয়েছে হাউথি বিদ্রোহীদের হামলার ভয়। সব মিলিয়ে জটিল এই পরিস্থিতিতে ভারতে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে বিপিসিএল-এর শীর্ষ কর্তা রামকৃষ্ণ গুপ্ত বলেন, চুক্তি মতো জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের রাশিয়া থেকে তেল কেনা হলেও, মার্চ মাসের জন্য সমস্যা তৈরি হয়েছে। তেন আনার জন্য কার্গো জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ভারতে আমদানিকৃত মোট তেলের ৩১ শতাংশ ছিল রাশিয়ার তেল। তবে মার্চ ত্রৈমাসিকে তা কমে ২০ শতাংশ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তেলের ঘাটতি পূরণ করতে পশ্চিম এশিয়া থেকে তেল কেনা হতে পারে। ।

উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রুশ জ্বালানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। তবে আন্তর্জাতিক ভাবে এই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। তবে সে নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যাপকভাবে রুশ তেল কেনে ভারত। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে ভারতের আমদানিকৃত তেলের ৪০ শতাংশই ছিল রুশ তেল। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেন কিনে তা পরিশোধন করে আমেরিকা ও ইউরোপের বন্দরেও পাঠিয়েছে ভারতের সংস্থাগুলি। কম দামে সেই তেল কিনে বিপুল লাভবান হয় ভারত। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় আমেরিকার তরফে। যার জেরে রাশিয়া থেকে তেল আনতে পর্যাপ্ত জাহাজ পাচ্ছে না নয়াদিল্লি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.