Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
টাকা হাতানো

হাতে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের চাবি, লক্ষাধিক টাকা-গয়না হাতালেন ব্যাংকের ক্যাশিয়ার

অন্ধ্রপ্রদেশের স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার ঘটনায় পলাতক ব্রাঞ্চ ম্যানেজার৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৯, ১৪:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৯, ১৪:৪০

options
link
হাতে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের চাবি, লক্ষাধিক টাকা-গয়না হাতালেন ব্যাংকের ক্যাশিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাংকে টাকা জমাচ্ছেন, মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে লকার ভাড়া করে রাখছেন সোনা, হিরের গয়না? কিন্তু সেসব সুরক্ষিত তো?যাঁদের ভরসায় এসব রাখছেন, সেই সরষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে নেই তো? অন্ধ্রপ্রদেশের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সাম্প্রতিকতম ঘটনা এসব প্রশ্নই তুলে দিচ্ছে৷

[আরও পড়ুন: সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে রাজ্যের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নষ্ট, নজরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভূমিকা]

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, পারিতালা শাখা, বিজয়ওয়াড়া৷ সেখান থেকেই লকার খুলে এবং ক্যাশবাক্স থেকে হাজার গ্রাম গয়না এবং লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এক ক্যাশিয়ার৷ তার বাড়ি থেকে শনিবারই উদ্ধার হয়েছে এসব৷ পুলিশ সূত্রে খবর, অন্তত ৮০ লক্ষ টাকা এবং ২২০০ গ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছে জি শ্রীনিবাস রাও নামে ওই কোষাধ্যক্ষের বাড়ি থেকে৷

Advertisement

শ্রীনিবাস রাও বেশ কয়েক বছর পারিতালা শাখায় কর্মরত৷ নগদ টাকা এবং সোনা জমা নেওয়ার কাজ করতেন তিনি৷ জানা গিয়েছে, প্রাক্তন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার যোগিতার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার সূত্রে লকারের চাবি তাঁর হেফাজতেই থাকত৷ বিষয়টি ব্যাংকের নিয়ম বহির্ভূত হলেও, একেই প্রায় নিয়ম করে ফেলেছিলেন যোগিতা এবং শ্রীনিবাস৷ আর সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়েছেন শ্রীনিবাস রাও৷

[আরও পড়ুন:আরও সংকটে কংগ্রেস! এবার ইস্তফা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার]

বিজয়ওয়াড়ার সিনিয়র পুলিশ অফিসার রবীন্দ্র বেবি জানিয়েছেন, ‘ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের চাবি নিজের কাছে থাকার সুবিধা নিয়ে উনি অন্তত ১৯ লক্ষ টাকা লকার থেকে সরিয়েছেন৷ এমনকী একটি সোনার গয়না সরিয়ে, তা বন্ধক রেখে ভুয়ো নামে ঋণও নিয়েছেন৷ এছাড়া অন্যান্য গ্রাহকদের টাকাও নয়ছয় করেছেন শ্রীনিবাস৷ তাঁদের টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার বদলে আত্মসাৎ করতেন৷’ পারিতালা ব্রাঞ্চের দায়িত্বে নতুন ম্যানেজার আসার পরই এই আর্থিক নয়ছয়ের বিষয়টি নজরে আসে৷ তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন৷ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানান৷ তারপরই তদন্তে নেমে সবটা জানতে পারে পুলিশ৷ সাসপেন্ড করা হয়েছে জি শ্রীনিবাস রাওকে৷ খোঁজ চলছে প্রাক্তন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার যোগিতারও৷ ফলে গ্রাহক, সতর্ক থাকুন৷ আপনার কষ্টের টাকা ব্যাংকের লকারে সুরক্ষিত আছে কি না, খোঁজ নিন৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.