Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

কাবেরী জলবন্টনের সমস্যা মেটান, ভিডিও বার্তায় মোদির কাছে আরজি কমলের

পরোক্ষে খোঁচা দিলেন কর্ণাটক নির্বাচন নিয়ে। দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১৬:২৪

options
link
কাবেরী জলবন্টনের সমস্যা মেটান, ভিডিও বার্তায় মোদির কাছে আরজি কমলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নদী কারও একার নয়। কোনও রাজ্য নদীর জলের অধিকার একা নিতে পারে না। সুপ্রিম কোর্টের ঘোষণার পর থেকেই কাবেরী নদীর জলবন্টন নিয়ে উত্তাল তামিলনাড়ু। অশান্তির আঁচ গিয়ে পড়েছে চলতি আইপিএল-এও। রাজ্য থেকে সরে গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের হোম ম্যাচগুলি। বিক্ষুব্ধদের পাশে দাঁড়িয়ে সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন রজনীকান্ত, কমল হাসানের মতো তারকারা। এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ কমল হাসান। এর জন্য মোদিকে কেবল খোলা চিঠি লিখেই ক্ষান্ত হননি তিনি। একটি ভিডিও আপলোডও করেছেন।

 

Advertisement

[সাফল্যের সঙ্গে অষ্টম ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট IRNSS-1I উৎক্ষেপণ ISRO-র]

নিজের পরিচয় দিয়ে ভিডিও শুরু করেন কমল হাসান। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বলেন, জলবন্টন নিয়ে তামিলনাড়ুতে অসন্তোষ বাড়ছে। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান হওয়া দরকার। কাবেরী ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বোর্ড অবিলম্বে গঠন করা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই সুপ্রিমকোর্ট নিজের দায়িত্ব পালন করেছে। এবার সরকারের উচিত নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করা। জলবন্টনের সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নর্মদার ক্ষেত্রে তিনি তা করে দেখিয়েছেন। অনেকেই ভাবতে শুরু করেছেন, কর্ণাটকের নির্বাচনের খাতিরেই বিজেপি গড়িমসি করছে। দলীয় স্বার্থেই কাবেরী ইস্যুকে জিইয়ে রাখা হচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করার দায়িত্ব মোদিরই। আর মোদি অদূর ভবিষ্যতে নিজের দায়িত্ব পালন করবেন বলে বিশ্বাস কমলের।

 

[উন্নাও কাণ্ডে অবশেষে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের]

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেন, নদী কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের হয় না। তাই রাজ্যগুলিকে নদীর জল ভাগাভাগি করে নিতে হবে। এতদিন কর্নাটক তামিলনাড়ুকে প্রতি বছর কাবেরীর জল ছেড়ে দিত ১৯২ টিএমসিএফটি। এদিনের রায় অনুযায়ী এবার থেকে কর্ণাটকের সিদ্দারামাইয়া সরকারকে তামিলনাড়ুর জন্য ছাড়তে হবে ১৭৭.২৫ টিএমসিএফটি জল। কেরল ও পুদুচেরি কাবেরীর যা জল আগে পেত এখনও তাই পাবে। কর্নাটকের জনবহুল শহর বেঙ্গালুরুতে লোকসংখ্যা ও শিল্প-বাণিজ্য সংক্রান্ত কাজ বাড়ায় জলের চাহিদা অনেক বেড়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই কর্ণাটক কাবেরীর জল বেশি পাবে বলে জানায় শীর্ষ আদালত। স্বাভাবিকভাবেই এই রায়কে স্বাগত জানায় কর্ণাটকের কংগ্রেস সরকার। অন্যদিকে এই রায়ে কিছুটা কোণঠাসা হয় তামিলনাড়ু সরকার। তামিলনাড়ু সরকারের তরফে তখন তেমন কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কিন্তু ধীরে ধীরে অসন্তোষ বেড়েছে। পরিণামে আইপিএল পর্যন্ত স্থানান্তরিত করতে হয়েছে নিরাপত্তার খাতিরে।

[‘বাবা কি নোংরা কাজে যুক্ত’? হরিয়ানার স্কুলে ভরতির ফর্মে ফিরল জাত-পাতের ‘ভূত’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.