সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুড়িয়া গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল হিমাচল প্রদেশের ইন্সপেক্টর জেনারেল জাহুর এইচ জাইদিকে। সিবিআই-এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে আরও ৮ পুলিশ আধিকারিক।
[যৌন মিলনে অনীহা, স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর সরকারি কর্মীর]

কোটকাই পুলিশ লক-আপে বন্দী থাকাকালীন গত ১৯ জুলাই গুড়িয়া গণধর্ষণকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত, একজন নেপালি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সেই মৃত্যুর ঘটনার জেরেই এই ৮ পুলিশ অফিসারকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। সিবিআই-এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, জাইদি ছাড়াও ডিএসপি মনোজ জোশি, স্টেশন হাউজ অপিসার রাজেন্দ্র সিং, এএসআই দীপ চাঁদ শর্মা, হেড কনস্টেবল সুরত সিং, মোহনলাল, রফিক আলি ও কনস্টেবল রঞ্জিত সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১৮ই আগষ্ট আদালতে মামলার দ্বিতীয় স্টেটাস রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই। এর প্রেক্ষিতেই ২৪ আগষ্ট সিটকে পৃথক হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। ১৮ই আগষ্টের মধ্যে তদন্ত শেষ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী, ৬ই সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
[মাদ্রাসাগুলির উপর কড়া নজর রাখতে GPS বসাচ্ছে যোগী সরকার]
গত ৪ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিঁখোজ হয়ে যায় শিমলার কোটখাইয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী গুড়িয়া। একদিন পর ৬ জুলাই তার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায়, ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। তারপর তাকে খুন করা হয়। এই ঘটনায় গঠিত সিট ১২ ও ১৩ জুলাই ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরই মধ্যেই বিচারাধীন এক বন্দী পুলিশি হেফাজতেই মারা যায়। অভিযোগের আঙুল ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপরেই সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেয় রাজ্য সরকার।
সর্বশেষ খবর
-
১২০০০ কিমি দূরের বিশ্বকাপ ঘিরে রক্তাক্ত বাংলাদেশ, শুধুই ফুটবল উন্মাদনা নাকি কারণ গভীর?
-
গরিবকে অবহেলা! নিজেদের ‘চিকিৎসক’ বলে পরিচয় দেবেন না, ধর্ষিতার মৃত্যুতে ‘সুপ্রিম’ ভর্ৎসনা
-
এবার কি বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার পথে কোয়েলও? ইঙ্গিতপূর্ণ জবাব শমীকের
-
আমাদের গৃহযুদ্ধে বাবা-মায়ের দেওয়া গল্প বলার পোকাটা জিতে গেল: উজান গঙ্গোপাধ্যায়
-
SIR-এ নাম বাদ পড়া মানে নাগরিকত্ব হারানো নয়, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের