Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
CBI files FIR against Cadbury

কর ফাঁকি দিয়ে বিপাকে ক্যাডবেরি ইন্ডিয়া, সংস্থার দুই ইউনিটে সিবিআই হানা

অভিযোগ, লাগাতার কয়েক বছর ধরেই শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে সংস্থাটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২১, ১১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২১, ১১:১৭

options
link
কর ফাঁকি দিয়ে বিপাকে ক্যাডবেরি ইন্ডিয়া, সংস্থার দুই ইউনিটে সিবিআই হানা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে বিপাকে ক্যাডবেরি ইন্ডিয়া (Cadbury India) তথা মন্ডোলেজ ইন্ডিয়া ফুড। সংস্থার হরিয়ানা ও হিমাচলের উৎপাদন কেন্দ্রে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকী, ওই ইউনিটগুলির আধিকারিকদের বাড়িতেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। রাজস্ব দপ্তরকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা এবং অবৈধভাবে লাইসেন্স নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে। এলাকাভিত্তিক শুল্ক ছাড়ের সুযোগেরও অপব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ। ক্যাডবেরি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর-ও।

ক্যাডবেরি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে এর আগেও শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। রাজস্ব দপ্তরের অভিযোগ, হিমাচলে সংস্থার নতুন ইউনিট সম্পর্কে যথাযথ তথ্য দেওয়া হয়নি। ওই কারখানায় কী পরিমাণে পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, সে সম্পর্কেও সরকারকে ভুল তথ্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। সরকারি তথ্য বলছে, ক্যাডবেরি ইন্ডিয়ার হিমাচলের ইউনিটের বার্ষিক আয় ২৪১ কোটি টাকা। অথচ মোদি সরকার এলাকাভিত্তিক যে শুল্ক ছাড়ের সুযোগ দিয়েছে, সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুল্কে ফাঁকি দিচ্ছে সংস্থাটি।

Advertisement

[আরও পড়ুন : পদ খোয়াতে হলেও কৃষক বিক্ষোভকে সমর্থন করব, বিস্ফোরক মেঘালয়ের রাজ্যপাল]

২০০৭ সালে হিমাচলে নতুন ইউনিট খুলতে কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল ক্যাডবেরি ইন্ডিয়া। কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের অন্তর্গত সমস্ত সুবিধা চেয়েছিল তারা। ১০ বছরের কর ছাড়ের সুবিধাও দেওয়ার কথা বলা হয়। তাদের আবেদন মঞ্জুর হলেও তৎকালীন সরকার শর্ত দিয়েছিল। বলা হয়েছিল, ২০১০ সালের মধ্যে কারখানা তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু তা হয়নি। পরে পুরনো ইউনিটের লাইসেন্সই জমা করে সংস্থাটি। উদ্দেশ্য ছিল, উৎপাদন কর ফাঁকি দেওয়া। কিন্তু বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই মোটা টাকার জরিমানা করা হয়। কিন্তু সুকৌশলে সেই ফাঁকিও এড়িয়ে যায় সংস্থাটি। রাজস্ব দপ্তরের অভিযোগ, লাগাতার কয়েক বছর ধরেই শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে সংস্থাটি। এমনকী, ঘুষ দিয়ে দপ্তরের কর্তাদের মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল।

[আরও পড়ুন : পুরনো সম্পর্ক বিবেচিত নয়, প্রতিবার যৌন সম্পর্কেই লাগবে সম্মতি, রায় আদালতের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.