Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CBI

‘দুই দুর্নীতি একে অন্যের সঙ্গে জড়িত, প্রমাণ পেয়েছে CBI’, পুর মামলায় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

শীর্ষ আদালতে ধাক্কা খেল রাজ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৩, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৩, ২০:১৭

options
link
‘দুই দুর্নীতি একে অন্যের সঙ্গে জড়িত, প্রমাণ পেয়েছে CBI’, পুর মামলায় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই-ই। সোমবার রাজ্যের আবেদন খারিজ করে এই নির্দেশ দিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগেও দুর্নীতির সন্ধান পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। নতুন মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে সিবিআই এবং ইডি। এর বিরোধিতা করে প্রথমে হাই কোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এদিন তার শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দেয়। যার জেরে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত চালাতে কোনও বাধা থাকল না সিবিআই-এর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফিটন থেকে টোটো, এক শতকের ইতিহাসের সাক্ষী চুঁচুড়ার ‘ঘড়ির মোড়ে’র ঐতিহ্যবাহী ঘড়ি]

এদিন শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিবল প্রথমে দাবি করেন, ২০১৯ সালে নিয়োগ হওয়ার পর কেটে গিয়েছে চার বছর। এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির একটিও অভিযোগ জমা পড়েনি। জবাবে সিবিআই-এর তরফে অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল এস ভি রাজু বলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সময় ওএমআর শিট প্রস্তুতকারক সংস্থার কাছে পাওয়া কিছু তথ্যে সন্দেহ হয় সিবিআই-এর। তারপর অন্যান্য তথ্য প্রমাণ সেই ধারণা মজবুত করে। এতে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী, বোর্ডের সভাপতি ও রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের জড়িত আছেন বলেই প্রাথমিক অনুমান সিবিআই-এর। এরপর সিবল আপত্তি জানিয়ে বলেন, প্রত্যেক ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশকে টপকিয়ে এভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্ত করতে দেওয়া নিয়মবিরুদ্ধ কাজ।

উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে পর্যবেক্ষণে বেঞ্চ জানায়, দুই দুর্নীতি একে অন্যের সঙ্গে জড়িত, এই প্রমাণ পেয়েছে সিবিআই। ঘুষের টাকা কাদের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে কোথায় গিয়েছে, তার হদিশও মিলেছে। তাই রাজ্যের আবেদন গৃহীত হচ্ছে না। তদন্ত করবে সিবিআই-ই।

[আরও পড়ুন: ছাত্রমৃত্যুতে ফের ব়্যাগিংয়ের তত্ত্ব! সিনিয়রদের অত্যাচারের বলি কাকদ্বীপের পড়ুয়া?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.