Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
CBSE

বই খুলেই পরীক্ষা! আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবমে ‘ওপেন বুক’ চালু CBSE-র

মুখস্থ করে এসে উত্তরপত্র ভরানোর দিন শেষ!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৫, ১৩:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৫, ১৩:০১

options
link
বই খুলেই পরীক্ষা! আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবমে ‘ওপেন বুক’ চালু CBSE-র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখস্থ করে এসে উত্তরপত্র ভরানোর দিন শেষ! পাঠ‌্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষার্থীর পরিচিতি বৃদ্ধি করা তথা পরীক্ষা পদ্ধতি আরও বাস্তবমুখী এবং প্রয়োগভিত্তিক করে তোলার লক্ষ্যে উদ্যোগী হল সিবিএসইই। ২০২৬-’২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণির পাঠ‌্যক্রমে ‘ওপেন বুক অ‌্যাসেসমেন্ট’ তথা ‘বই খুলে পরীক্ষা দেওয়া’র পদ্ধতি চালুর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে তারা।

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর গভর্নিং বডি চলতি বছরের জুন মাসেই এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তাদের এই পদক্ষেপ ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন (এনসিএফএসসি) ২০২৩-এর সঙ্গে সাযুজ‌্য রেখে এবং জাতীয় শিক্ষানীতি (এনইপি) ২০২০ মেনেই গৃহীত হয়েছে বলে খবর। নয়া সিস্টেমে আপাতত ‘ওপেন বুক অ‌্যাসেসমেন্ট’ চালু হচ্ছে প্রতি টার্মে তিনটি খাতায়-কলমে হওয়া পরীক্ষাসূচির অংশ হিসাবে। ভাষা, গণিত, বিজ্ঞান এবং সোশ‌াল সায়েন্সের মতো বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত।

Advertisement

সিবিএসই সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়টি সবার প্রথমে আলোচনার জন‌্য উঠেছিল কারিকুলাম কমিটির বৈঠকে, যা হয়েছিল ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে। পরে বছর শেষে এই নিয়ে সিদ্ধান্ত পাকাপাকি হয়। যদিও এর প্রয়োগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বোর্ডের তরফে নির্দিষ্ট কিছু স্কুলে পাইলট প্রোজেক্ট শুরু করা হয়েছিল। নবম-দশম শ্রেণিতে ট্রায়াল হিসাবে পরীক্ষা হয়েছিল ইংরেজি, গণিত এবং বিজ্ঞানে। আর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে ‘ওপেন বুক অ‌্যাসেসমেন্ট’ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা হয়েছিল ইংরেজি, গণিত ও বায়োলজিতে। এই ক্ষেত্রে পড়ুয়ারা কেমন ফলাফল করে, সময় কতটা লাগে ইত‌্যাদি বিষয় দেখে নেওয়াই ছিল প্রধান উদ্দেশ‌্য।

সমীক্ষার ফলে দেখা যায়, পড়ুয়াদের পারফরম‌্যান্সের হার ছিল ১২ শতাংশ থেকে ৪৭ শতাংশের মধ্যে। সেই ফল দেখেই শিক্ষকদের একাংশ আশাবাদী হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয় যে, পড়ুয়াদের মধ্যে এই প্রক্রিয়া আরও সড়গড় করার জন‌্য এবং রেফারেন্স ব‌্যবহারে তারা যে চ‌্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল–সেই বাধা কাটাতে এই প্রক্রিয়া ক্রমশ উপযোগী হয়ে উঠবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.