সোমনাথ রায়, দ্রাস: ওল্ড দ্রাস পোলো গ্রাউন্ডে তখন চলছে বাইক শো। গ্যালারির ফার্স্ট রো-তে নজরে এল অতি পরিচিত এক মুখ। না, তিনি সেনাবাহিনীর কেউ নন। তবে সৈন্যদের সঙ্গে একটি বিষয়ে তাঁর বেশ মিল আছে। যত অত্যাধুনিক গোলাবারুদই হোক, জওয়ানদের হাতের স্পর্শ ছাড়া তা কোনও কাজের নয়। ঠিক তেমনই সাধারণ নুন, লঙ্কা বা হলুদ, জিরে, ধনে তাঁর হাতের সংস্পর্শে হয়ে ওঠে লা-জবাব! তিনি বিখ্যাত শেফ সঞ্জীব কাপুর।
[আরও পড়ুন: এই ক্যাফেতে আজও অমর কারগিল যুদ্ধের শহিদ ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা]
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, সেনা প্রোটোকল টপকে পৌঁছানো গেল তাঁর কাছাকাছি। প্রশ্ন, এখানে কী বিশেষ অতিথি হিসাবে এসেছেন? উত্তরে যা বললেন দেশের এক নম্বর শেফ, তাতে তাঁকে স্যালুট না করে উপায় নেই। বললেন, “না না। আমায় কেন অযথা অতিথি করতে যাবে? আমিও তো একজন আম নাগরিক। উলটে আমিই ওঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এবার বিজয় দিবসের কুড়ি বছর। নিজেদের জীবন বিপন্ন করে ১৯৯৯ সালে দেশকে রক্ষা করেছেন জওয়ানরা। আমি তাঁদের শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।” মনে হতেই পারে, এ আর এমন কী। কাহানি মে টুইস্ট এর পরে।
দিনদুয়েক আগেই দ্রাস চলে এসেছেন সঞ্জীব। ভিআইপি তকমা ছেড়ে বুধবার থেকে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি। বিজয় দিবস উপলক্ষে এখানে শহিদ পরিবারের যতজন এসেছেন, প্রত্যককে খাচ্ছেন তাঁর হাতের রান্না। যে রান্নার তারিফ করতে গিয়ে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁর হাতে চুমু খেয়েছিলেন, সেই হাতের রান্নাই খাচ্ছেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। এভাবেই সেই বীরদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সঞ্জীব কাপুর।
[আরও পড়ুন: ছুটি কাটাতে রণতরী ব্যবহার করেননি রাজীব, জানাল নৌসেনা]
সর্বশেষ খবর
-
মুখে বন্দে মাতরম, মনে দেশপ্রেম! জলবন্দি স্কুলে নৌকায় চেপে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন খুদে পড়ুয়াদের
-
‘অরবিন্দের যোগচর্চা ফিরিয়েছেন মোদি’, জন্মদিনে ঋষি অরবিন্দর বাড়ি গিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শুভেন্দুর
-
রাজ্যে ফের কোভিডে মৃত্যু! প্রাণ গেল দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপারের
-
দেশের আরও এক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, স্বাধীনতা দিবসেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
৩ নম্বরে দু’বছরের খরা কাটালেন পাড়িক্কল, ভারতের অ্যাডভান্টেজে ‘কাঁটা’ রাহুলের চোট