Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

নয়া বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য স্বস্তি, আয়করে মিলতে পারে বড় ছাড়

কী কী সুবিধা মিলতে পারে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৮, ০৮:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৮, ০৮:০৮

options
link
নয়া বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য স্বস্তি, আয়করে মিলতে পারে বড় ছাড় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোট বাতিল থেকে জিএসটি– সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের জেরে বেশ ভাল ধাক্কা খেয়েছে মধ্যবিত্ত। নয়া বাজেটে তাই এই শ্রেণিকে স্বস্তিতে রাখার ভাবনা মোদি প্রশাসনের। সূত্রের খবর, ২০১৮-১৯ বাজেটে আয়করে অনেকটাই ছাড় মিলতে পারে মধ্যবিত্তদের ক্ষেত্রে।

জিএসটি-র প্রতিবাদে মোদিকে ১০০০ স্যানিটারি ন্যাপকিন পাঠাবেন ছাত্রীরা ]

Advertisement

গত বাজেটে ট্যাক্স স্ল্যাবে বিশেষ কোনও পরিবর্তন আনেননি অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তবে ২.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা যাঁদের আয়, তাঁদের ক্ষেত্রে করের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছিল। তাতে খানিকটা সুবিধা হলেও বৃহত্তর ক্ষেত্রে লাভের মুখ দেখেননি সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চাকুরীজীবীরা। এবার বাজেটে কী কী সুবিধা মিলতে পারে? সূত্রের খবর, আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানো হতে পারে। এখনও পর্যন্ত আড়াই লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত তা নির্ধারিত। এবার তা বাড়িয়ে তিন লক্ষ করা হতে পারে। অর্থাৎ বার্ষিক আয় এই পরিমাণ হলে আয়করের আওতায় পড়বেন না তাঁরা। এছাড়াও এবার করের হারেও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। ৫-১০ লক্ষ টাকা আয় যাঁদের, তাঁদের করের হার বর্তমানের তুলনায় ১০ শতাংশ কমানো হতে পারে। ১০-২০ লক্ষ আয়ের স্ল্যাবে হার ২০ শতাংশ, এবং ২০ লক্ষ টাকা বেশি আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা।

‘ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার নয়, মাদ্রাসায় তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদী’ ]

মোটের উপর এবারের বাজেটে মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের ক্ষেত্রে যাতে সুবিধা পান মানুষ, তা বিবেচনা করা হচ্ছে। নোট বাতিলের জেরে মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ কমেছে। ওদিকে জিএসটি চালু হওয়ার ফলে জিনিসের দাম সাধারণভাবে খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ মধ্যবিত্ত। ফলে তারা যাতে খানিকটা স্বস্তি পান তাই করছাড়ের ভাবনা। এদিকে শিল্পক্ষেত্রেও চাপ আছে সরকারের উপর। চূড়ান্ত করের হার, ২৫ শতাংশ কমানোর পক্ষপাতী অনেকেই। কিন্তু চলতি অর্থবর্ষেই আর্থিক বৃদ্ধি ধাক্কা খেয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণ করতে এ আবদার নাও রাখা হতে পারে। তবে আমআদমির কথা বিবেচনা করা হবে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বাজেট পেশের আগে বিশ্ব ব্যাঙ্কের দরাজ সার্টিফিকেট অবশ্য স্বস্তিতে রেখেছে মোদি প্রশাসনকে। এবার মধ্যবিত্তকে সরকার কতটা স্বস্তি দেয় তাই দেখার।

[ মোদি সরকারের প্রশংসায় বিশ্ব ব্যাঙ্ক, আর্থিক বৃদ্ধি বাড়ার পূর্বাভাস ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.