Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

রোহিঙ্গা বিতর্কের মাঝেই চাকমা-হাজংদের নাগরিকত্ব দিচ্ছে ভারত

প্রায় ১লক্ষ মানুষ নাগরিকত্ব পেতে চলেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭, ০৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭, ০৩:৪৭

options
link
রোহিঙ্গা বিতর্কের মাঝেই চাকমা-হাজংদের নাগরিকত্ব দিচ্ছে ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোহিঙ্গা ইস্যুতে যথেষ্ট কড়া অবস্থান ভারতের। তবে সুর নরম হচ্ছে প্রায় ১ লক্ষ চাকমা এবং হাজংদের ক্ষেত্রে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এদের নাগরিকত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গারা মুসলিম, চাকমারা বৌদ্ধ এবং হাজংরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

মায়ানমারে সামরিক অভিযানের চাপে ভারতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেআইনী অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আগেই ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। এরই মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতে বসবাসকারী চাকমা ও হাজং উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু চাকমা-হাজং গোষ্ঠীকে দেশের নাগরিকের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেন। এর আগে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। বৈঠকে চাকমা-হাজং শরণার্থীদের ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বর্ণিকা কুণ্ডুর বাবাকে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি, বিতর্ক তুঙ্গে]

তবে এই জনগোষ্ঠীদুটিকে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিপক্ষে সওয়াল করেন অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী।তাঁর মতে, নাগরিকত্ব দিলে জনবিন্যাস বদলে অর্থনীতির ওপর প্রভাব পড়বে। রাজ্যে অশান্তিও হতে পারে।প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলি বরাবরই বহিরাগত চাকমা-হাজংদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিরোধী।

২০১৫ সালে ওই দুই সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব দেওয়া ইস্যুতে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। রিজিজু বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সম্মান জানিয়েই কেন্দ্রে এই সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সাল নাগাদ অসমের লুসাই পাহাড় হয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেন। অরুণাচল প্রদেশে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। পার্বত্য চট্টগ্রাম ছেড়ে আসা এই জনগোষ্ঠীর মোট শরণার্থীসংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার। বর্তমানে যার সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ।

[ভারতীয়রা আসলে সবাই হিন্দু, মোহন ভাগবতের মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে]

এর পাশাপাশি, রিজিজু স্পষ্ট জানিয়েছেন রোহিঙ্গাদের কোনওভাবেই ভারতে ঠাঁই দেওয়া যাবে না। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সীমান্ত পেরিয়ে মণিপুর-মিজোরামে ঢুকে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা থাকায়, সীমান্তে নজরদারি কড়া করা হয়েছে। তবে এই ইস্যুর মধ্যেই অরুণাচলে লাখখানেক চাকমা-হাজংকে নাগরিকত্ব দেওয়া হলে কংগ্রেসের পালে হাওয়া লাগতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.