Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Centre

ভুটানের জলে উত্তরবঙ্গে বন্যা! মমতার দাবির প্রেক্ষিতে খোঁজ নেবে কেন্দ্র

কী বললেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১৬:০১

options
link
ভুটানের জলে উত্তরবঙ্গে বন্যা! মমতার দাবির প্রেক্ষিতে খোঁজ নেবে কেন্দ্র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভুটান থেকে আসা জলেই উত্তরবঙ্গে এত বড় বিপত্তি! তাই এর ক্ষতিপূরণও ভুটানকেই দিতে হবে। সোমবার বিপর্যস্ত নাগরাকাটায় এমনটাই দাবি করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেবে বিদেশমন্ত্রক। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। সেখানেই ভুটানের জলে উত্তরবঙ্গে বন্যার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। বন্যা ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে জয়সওয়াল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যে বন্যা হয়েছে, তা নিয়ে হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য আমার কাছে এই মুহূর্তে নেই। খোঁজ নিয়ে জানাবো।” বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আরও জানান, জল- সহ নানান বিষয়কে ঘিরে দু’দেশের সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ আছে। তবে জল নিয়ে তথ্য বিনিময় হয়েছে কি না, তা তিনি পরে জানাবেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত, মমতা অভিযোগ করেন, “ভুটান থেকে নেমে আসা জলের কারণে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি… আমরা চাই তারা আমাদের ক্ষতিপূরণ দিক ৷ দিল্লি তো কিছু করে না। সবটাই আমাদের করতে হয়। আমি বেশ কিছুদিন ধরেই একটি ইন্দো-ভুটান যৌথ নদী কমিশন গঠনের জন্য জোর দিয়ে আসছি এবং আমি দাবি করছি যে পশ্চিমবঙ্গকে এর অংশ করা হোক।” অর্থাৎ সরাসরি রাজ্যসরকারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির পিছনে অন্যতম কারণ ইন্দো-ভুটান নদী কমিশন তৈরি না হওয়া।

উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গে আচমকা হড়পা বানে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উত্তরবঙ্গে। ভেসে গিয়েছে বহু ঘরবাড়ি, রাস্তা, সেতু। বিপর্যয় প্রাণ কেড়ে নিয়েছে বহু মানুষের। এই পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষগুলির পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্যসরকার। পর্যাপ্ত ত্রাণ পাঠানোর পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে পুনর্গঠনে। দু’বার উত্তরবঙ্গে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাহায্যের পাশাপাশি মানুষের যাতে কোনও দুর্ভোগ না হয় সেদিকে কড়া নজর রয়েছে তাঁর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.