সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল জেস্ক: ঘোর কলিকাল বোধ হয় একেই বলে। দাদু মুখ্যমন্ত্রী। বাবা রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। দু’জনেই রাজ্যের শাসকদলের শীর্ষ নেতা। কিন্তু তাতে কী? সম্পত্তির বিচারে বাবা এবং দাদু দু’জনকেই টেক্কা দিল তিন বছরের খুদে। অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন এও সম্ভব! না অবাক হওয়ার কিছু নেই, কাণ্ডটি ঘটেছে এই ভারতেই। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডুর থেকে তাঁর দৌহিত্র ৬ গুণ বেশি সম্পদশালী। সম্প্রতি নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তির পরিমাণ ঘোষণা করেছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। আর সেখানেই মিলেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
[ঋণখেলাপে আরও বিপাকে মালিয়া, হাতছাড়া হতে পারে লন্ডনের অট্টালিকা]
নায়ডুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কমবেশি ৩ কোটি টাকার সম্পত্তি আছে তাঁর। যা গতবছরের তুলনায় বেড়েছে ৪৬ লক্ষ টাকা। তাঁর ঋণের পরিমাণও আগের তুলনায় কমেছে। গতবছর যেখানে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৬৪ লক্ষ, সেখানে এবছর তাঁর ঋণের পরিমাণ ৫ কোটি ৩১ লক্ষ। একজন মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে এই পরিমাণ সম্পত্তি অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু চোখ কপালে উঠবে তাঁর তিন বছর বয়সি নাতির সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে। অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী যে তথ্য প্রকাশ করেছেন সেই অনুযায়ী নারা দেবানশ তাঁর থেকে ৬ গুণ বেশি ধনী। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১৮ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। দেবানশের নামে হায়দরাবাদের অভিজাত এলাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। রয়েছে ২ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স।
[আট মাসের ব্যবধানে জোড়া কৃষক বিদ্রোহে অস্বস্তিতে ফড়ণবিস সরকার]
খুদে দেবানশ যে শুধু দাদুর থেকে ৬ গুণ বেশি সম্পদশালী তাই নয়, বাবার চেয়েও তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বেশি। চন্দ্রবাবু নায়ডুর ছেলে নারা লোকেশ অন্ধ্রপ্রদেশের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এবং টিডিপির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ কোটি ২১ লক্ষ টাকা। গতবছরের তুলনায় যা কমেছে ৭ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। পরিবারের সবচেয়ে ধনী চন্দ্রবাবুর স্ত্রী ভুবনেশ্বরী নায়ডু। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩১ কোটি টাকারও বেশি।
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?