Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিরোধীরা ভুল তথ্য দিচ্ছে, তৃণমূলের স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিসের জবাব রাজনাথের

নগরপঞ্জি নির্ভুল, দাবি রাজনাথের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৮, ১৪:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৮, ১৪:৪৬

options
link
বিরোধীরা ভুল তথ্য দিচ্ছে, তৃণমূলের স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিসের জবাব রাজনাথের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যাশিতভাবে এনআরসি ইস্যুতে শুক্রবারও উত্তপ্ত সংসদের দুই কক্ষই। অসমে তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়কদের হেনস্তার প্রতিবাদে এদিন সংসদের দুই কক্ষেই বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রসে। তৃণমূলের তরফে দুই কক্ষেই স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনা হয়। লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।

[গলদের চূড়ান্ত, ২০০ চিহ্নিত বিদেশির নামও ঢুকল নাগরিকপঞ্জিতে]

রাজ্যসভায় আলোচনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন আরও একবার দাবি করেন, ‘এনআরসির যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তা চূড়ান্ত খসড়া নয়। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিক তালিকায় নাম ঢোকানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ‘নাগরিকপঞ্জির খসড়ায় কোনও অস্বসচ্ছ্বতা নেই, বিরোধিরা ভুল তথ্য পেশ করে ভীতির সঞ্চার করার চেষ্টা করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে।’ রাজনাথ বলেন, ‘কতজন বিদেশি ভারতে আছেন তা জানা দরকার। বিদেশিদের উপর নজরদারি চালাতেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’ এদিন আরও একবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নাগরিকপঞ্জির খসড়ার ভিত্তিতে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। স্বচ্ছ্বতার সঙ্গেই এনআরসির তালিকা তৈরির কাজ চলছে, অসম সরকারের এখন সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দেন, কারও সঙ্গে বৈষম্য হবে না বা কাউকে হেনস্তার শিকার হতে হবে না। এরপর অবশ্য নাগরিকপঞ্জি তৈরির দায় কিছুটা নিজেদের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, যে প্রক্রিয়া চলছে তাতে সরকারের কোনও হাত নেই, পুরোটাই চলছে সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্ববাধানে। কংগ্রেস আমলেই যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তা আরও একবার মনে করিয়ে দেন রাজনাথ সিং।

 

 

[অসমের মতো মুম্বইতেও হোক এনআরসি, দাবি বিজেপি বিধায়কের]

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব সন্তুষ্ট করতে পারেনি বিরোধীদের। তৃণমূলের তরফে সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন প্রশ্ন তোলেন, অসমে যদি পরিস্থিতি শান্তই হবে তাহলে তৃণমূল সাংসদদের বিমানবন্দরে হেনস্তা করা হল কেন? অসমে ১৪৪ ধারা জারিরই বা প্রয়োজনীয়তা কী?  কংগ্রেসের তরফে আবার এক সাংসদ বলেন, যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে তাদের অধিকাংশই গরিব মানুষ। তাদের নতুন করে আবেদন করার সামর্থ্য নেই, অনেকে আবার জানেনই না কীভাবে আবেদন করতে হবে, তাদের কী পরিস্থিতি হবে? তৃণমূল সাংসদদের হেনস্তার প্রশ্নে রাজনাথ জবাব দেন, নির্দিষ্ঠ প্রোটোকল মেনেই সাংসদদের ফিরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছিল কিন্তু তৃণমূল সাংসদরা তা না মানলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাদের আটক করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.