BREAKING NEWS

০৮ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৯  সোমবার ২৩ মে ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

বিপাকে ‘টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং’, রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় চার্জশিট পেশ পুলিশের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: January 14, 2019 5:09 pm|    Updated: January 14, 2019 5:09 pm

Chargesheet in JNU sedition case

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ‘টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং’-এর বিরুদ্ধে ১২ হাজার পাতার চার্জশিট দিল দিল্লি পুলিশ, যা ট্রাঙ্কে পুরে আদালতে পৌঁছে দিতে হল। চার্জশিটে বাম ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য-সহ রয়েছে ১০ জনের নাম। সকলেই জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্র। দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের বিচারক সুমিত আনন্দের কাছে পেশ করা চার্জশিটে নাম রয়েছে আকিব হুসেন, মুজিব হুসেন, মুনিব হুসেন, ওমর গুল, রাইয়া রসুল, বসির ভাটের। এরা সকলে জেএনইউতে পাঠরত কাশ্মীরী ছাত্র। দেশদ্রোহিতা, বিদ্বেষ ছড়ানো-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্তত ৮টি ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদ হামলার মূল চক্রী আফজল গুরুর ফাঁসির বিরুদ্ধে স্লোগান তুলেছিল জেএনইউ-র বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। স্লোগান ওঠে – ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি।’ নেতৃত্বে ছিলেন সিপিআইযের ছাত্র নেতা তথা তৎকালীন জেএনইউ ছাত্র সংগঠনের প্রেসিডেন্ট কানহাইয়া কুমার। সঙ্গে ছিলেন উমর খালিদ, অনির্বাণ, ওমর গুলরাও। রাজধানীর বুকে, জেএনইউ-র মতো খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দাঁড়িয়ে কানহাইয়া কুমাররা বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। মদত দিচ্ছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের। দু’দিন পর বসন্তকুঞ্জ এলাকা থেকে কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদ এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিক্ষোভের ফুটেজের ফরেন্সিক পরীক্ষায় সবটা আসল বলে প্রমাণ মিলেছে, দাবি করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তী সময়ে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি পান কানহাইয়া কুমার। অন্তর্বর্তী জামিন মেলে উমর খালিদ, অনির্বাণের। তারপরও একাধিক আলোচনা সভা, সোশ্যাল মিডিয়ায় কাশ্মীরের স্বাধীনতার পক্ষে মতদান করতে পিছপা হননি বামপন্থী এই ছাত্রনেতারা। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। এই মামলার পর জেএনইউ ছাত্রসংগঠনের পদ থেকে অপসারিত হন কানহাইয়া কুমার। মাঝপথে পিএইচডির কাজ বন্ধ হয়ে যায় উমর খালিদ, অনির্বাণের। তাঁদের থিসিস জমা নিতে অস্বীকার করেন অধ্যাপকরা।

                                      [প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রস্তুতিতে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান, চাঞ্চল্য রাজধানীতে]

প্রায় তিন বছরের মাথায় সেই মামলার চার্জশিট দিল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। এনিয়ে কানহাইয়া কুমারের প্রতিক্রিয়া, ‘লোকসভার আগে এই চার্জশিট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা বোঝাই যাচ্ছে। ধন্যবাদ দিল্লি পুলিশ এবং মোদিজি। দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের আস্থা আছে।` জেএনইউ-র মেধাবী ছাত্রদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার এই মামলা কোনদিকে গড়ায়, তা দেখার অপেক্ষায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি।   

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে