Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Centre Chief Secretary

মুখ্যসচিব মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত স্টাফ হতে পারেন না! আলাপন ইস্যুতে আরও কড়া কেন্দ্র

অবসরের পর আখের গোছাতেই মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছেয় চলছেন আলাপন? প্রশ্ন কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২১, ১২:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২১, ১২:১৩

options
link
মুখ্যসচিব মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত স্টাফ হতে পারেন না! আলাপন ইস্যুতে আরও কড়া কেন্দ্র zoom

স্টাফ রিপোর্টার: আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Alapan Bandyopadhyay) বদলি এবং কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রীর ডাকা রিভিউ মিটিংয়ে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র। সরকারের এক সূত্র বলছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, গত শুক্রবার কলাইকুন্ডায় রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব যা করেছেন, সেটা কর্তব্যচ্যুতি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কেন্দ্রের তরফে সাফ বলা হচ্ছে,একজন মুখ্যসচিব কখনও মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মীর মতো কাজ করতে পারেন না।

গতকালই আলাপন ইস্যুতে রাজ্য সরকার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়ে দিয়েছেন,এটা ক্লোজড চ্যাপ্টার। তবে, রাজ্য সরকার আলাপনের পাশে আছে। এদিন তিনি ফের বুঝিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার এ ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপই গ্রহণ করুক না কেন, রাজ্য সরকার আলাপনের পাশে থেকেই তার জবাব দেবে। নবান্ন সূত্রে খবর, যেহেতু আইনি ধারা উল্লেখ করে চিঠিতে জবাব চাওয়া হয়েছে, সেক্ষেত্রে আইনি দিক খতিয়ে দেখেই উত্তর দেওয়া হবে। তবে, রাজ্য সরকার আলাপনের পাশে থাকলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Minister) সূত্রে খবর, তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাজির হয়ে রাজ্যের বিপর্যয় নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যসচিবের। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী অনেক দেরি করে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করেছেন না ভুল করেছেন, সেটি রাজনৈতিক বিষয় বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু মুখ্যসচিব হিসাবে আইএএস অফিসার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক উপস্থিত থাকাই সঠিক হত বলে কেন্দ্রের মত। কেন্দ্রের প্রশ্ন, সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর আচরণ ঠিক না ভুল সেটা আলাদা ব্যাপার। কিন্তু একজন আইএএস (IAS) হিসেবে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় যে আচরণ করেছেন সেটা কি ঠিক? রাজ্যের সর্বোচ্চ পদাধিকারি আমলার কাছে কি এই আচরণ প্রত্যাশিত? তিনি কি শুধুমাত্র অবসরের পর নিজের আখের গোছাতেই পুরোপুরি মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছেন?

Advertisement

[আরও পড়ুন: বঙ্গে বিজেপির হারের কারণ খুঁজতে আসরে খোদ ‘টিম শাহ’, উঠে এল এই কারণগুলি]

কেন্দ্র মনে করছে, কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিব মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব স্টাফ হতে পারেন না। ২৮ মে প্রধানমন্ত্রী যে কলাইকুন্ডায় রিভিউ মিটিং করবেন, তা আগেই জানতেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর প্রধানমন্ত্রীকে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যখন উপস্থিত হন ব্রিফিং রুমে তখন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা এক আধিকারিক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও মিনিট দুয়েকের মধ্যে মিটিং রুম ছাড়েন তিনি। কেন্দ্র বলছে, যদি ধরেও নেওয়া যায় যে মুখ্যসচিব খুব ব্যস্ত ছিলেন, তাতেও নিজের তরফে অন্য কোনও আধিকারিকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান তুলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ করা উচিত ছিল আলাপনের। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশ্ন, ভারতে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা অর্থাৎ কেন্দ্র-রাজ্য এবং পঞ্চায়েত রয়েছে। সেক্ষেত্রে কোন একটি জেলায় বা ব্লকে যদি বিরোধী দলের জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত থাকে এবং সেই জেলার জেলাশাসক যদি মুখ্যসচিবের ডাকা কোনও বৈঠক এড়িয়ে যান তাহলে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে নাকি?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.