Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Delhi

‘তোর বোনকে মারছি’, ‘খুনের’ আগে শ্যালককে ফোন দিল্লির মহিলা কমান্ডোর স্বামীর, চ্যালেঞ্জ পুলিশকেও

ফোনের ওপার থেকে বোনের আর্তনাদ শুনতে পেয়েছিলেন ভাই। শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস (সোয়াট)-এর মহিলা কমান্ডো কাজলকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৪:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৪:৩২

options
link
‘তোর বোনকে মারছি’, ‘খুনের’ আগে শ্যালককে ফোন দিল্লির মহিলা কমান্ডোর স্বামীর, চ্যালেঞ্জ পুলিশকেও zoom
খুন করার আগে কাজলের ভাইকে ফোন করেছিলেন অঙ্কুর। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

অন্তঃসত্ত্বা পুলিশ কমান্ডো কাজলকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছেন তাঁরই স্বামী অঙ্কুর! দিল্লির (Delhi) ভয়ানক ঘটনায় গোটা দেশজুড়ে তোলপাড়। এবার সেই ঘটনায় মিলল হাড়হিম করা তথ্য। জানা গিয়েছে, খুন করার আগে কাজলের ভাইকে ফোন করেছিলেন অঙ্কুর। স্পষ্ট বলেন, তিনি কাজলকে হত্যা করছেন। এই কথা রেকর্ড করে রাখা হোক। কিন্তু সেই প্রমাণ পেলেও পুলিশ ছুঁতে পারবে না।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে বিয়ে হয় কাজল-অঙ্কুরের। তাঁদের দেড় বছরের এক সন্তানও রয়েছে। তারপর ফের অন্তঃসত্ত্বা হন কাজল। তাঁর ভাই নিখিল জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য অঙ্কুরের পাশাপাশি কাজলের শাশুড়ি এবং ননদেরা পণের জন্য নানা ভাবে হেনস্থা করতেন। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হত। শেষ পর্যন্ত গত ২২ জানুয়ারি অঙ্কুর-কাজলের অশান্তি চরমে পৌঁছায়। সেই সময় প্রথমে কাজলের মাথায় ডাম্বেল দিয়ে আঘাত করেন অঙ্কুর। এর পর দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেন স্ত্রীর। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কাজলকে বাঁচানো যায়নি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস (সোয়াট)-এর মহিলা কমান্ডো হিসাবে কর্মরত ছিলেন কাজল। তাঁর মৃত্যুর পরে বিস্ফোরক দাবি করেছেন কাজলের ভাই নিখিল। তিনি বলেন, “অঙ্কুর আমাকে ফোন করে বলে, এই কলটা রেকর্ড করে রাখ। প্রমাণ হিসাবে পুলিশ ব্যবহার করতে পারবে। তোর বোনকে আমি মারছি। পুলিশ আমার কিছু করতে পারবে না। এই বলে ফোন কেটে দেয়। মিনিট পাঁচেক পরে আবারও ফোন আসে। আমি কাজলের চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলাম। তখন অঙ্কুর বলে কাজল মারা গিয়েছে। হাসপাতালে যা।”

নিখিলের কথায়, তাঁরা কাজলের বাড়ি পৌঁছনোর আগেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কাজলকে। পরে গাজিয়াবাদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। পাঁচদিন লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত কাজলকে বাঁচানো যায়নি। ২৭ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত অঙ্কুরকে। জানা গিয়েছে, বিয়েতে পণ হিসাবে বুলেট বাইক দেওয়া হয়েছিল অঙ্কুরকে। তারপরেও গাড়ি দাবি করতে থাকায় কাজল নিজেই গাড়ি কিনে দেন। তা সত্ত্বেও পণ চেয়ে অত্যাচার থামেনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.