BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

পিছিয়ে যাওয়ার নাম নেই, লাদাখ সীমান্তে ওঁত পেতে ৪০ হাজার চিনা সৈনিক

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 22, 2020 7:31 pm|    Updated: July 22, 2020 7:31 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আলোচনা চালালেও আগ্রাসন থামাচ্ছে না চিন। যে কোনও মুহূর্তে ফের ভারতীয় ভূখণ্ডে হানা দিতে পারে লালফৌজ। শান্তিবার্তার আড়ালে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর অন্তত ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন রেখেছে চিন। এক গোপন রিপোর্টে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

[আরও পড়ুন: অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলছে ৬ বছরের শিশু, উত্তরপ্রদেশের সরকারি হাসপাতালের ঘটনায় নিন্দার ঝড়]

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, পূর্ব লাদাখে ফরওয়ার্ড পোস্ট ও নিজের সীমার ভিতরে সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন রেখেছে চিন। ওই অঞ্চলে মুখে সেনা প্রত্যাহারের কথা বললেও বাস্তবে তেমনটা করছে না বেজিং। বিশেষ করে গোগরা ও হটস্প্রিং এলাকায় এখনও ভারতীয় জমিতে দখল বজায় রেখেছে লালফৌজ। তাছাড়া, প্যাংগংয়ে লেকের ধারে ফিঙ্গার ৫ থেকে কিছুতেই হটতে চাইছে না চিনা সেনা। চার থেকে আট নম্বর ফিঙ্গার পয়েন্ট পর্যন্ত ভারতীয় সেনার নো-এন্ট্রি করে রেখেছে পিএলএ। টহলদারি চালাতে পারছে না ভারতীয় সেনা। দেপসাং উপত্যকায় দুই দেশের সৈন্যরা এখনও পর্যন্ত খুব কাছাকাছি রয়েছে।

কয়েকদিন আগেই ভারত (India ) ও চিনের (China) মধ্যে চতুর্থ দফার সেনাবাহিনীর কোর কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক হয়। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণেরখা বরাবর কিভাবে ধাপে ধাপে সেনা অপসারণ হবে তা নিয়ে আগামী দিনের রোডম্যাপ তৈরি করেছে দুই দেশ। সীমান্তে শান্তি ফেরাতে সেনা অপসারণ প্রক্রিয়া এবং সেনা পর্যায়ের বৈঠক চালু রাখতে রাজি হয়েছে চিনও। কিন্তু মুখে যতোই শান্তির কথা বলুক না কেন, কাজেকর্মে আগ্রাসী মনোভাব বজায় রেখেছে বেজিং।

এদিকে, চিনের অভিসন্ধির কথা মাথায় রেখে সতর্ক ভারতও। আসন্ন শীতের আগে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে বাড়িত ৩০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হবে। জুলাইয়ের শেষে কয়েকটি রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হবে লাদাখে। একইসঙ্গে মালাবার এক্সারসাইজ নৌমহড়া আরও বড় আকারে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ভারত মহাসাগর জুড়ে। আমেরিকা আগেই জানিয়েছে, দক্ষিণ চিন সাগরকে চিনের আধিপত্য থেকে মুক্ত রাখতেই তারা এতদিন সেখানে মহড়া চালিয়েছে। এরপর তারা ভারত মহাসাগরে মহড়া চালাল। জোড়া মহড়ায় চিনেক তাদের বার্তা, দক্ষিণ চিন সাগরে আন্তর্জাতিক জলসীমা সংযত হয়ে চলতে হবে চিনকে। ভারত মহাসাগরেও চিনা যুদ্ধজাহাজগুলি কোনও অজুহাতেই ঢুকতে পারবে না। চিন বাড়াবাড়ি করলে সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে।

[আরও পড়ুন: আন্দামানের কাছে ভারত-মার্কিন যৌথ নৌমহড়া, এবার সাগরেও কোণঠাসা ‘ড্রাগন’]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement