BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ভারতের বিরুদ্ধে নেপালকে উসকানি দিচ্ছে চিন, ইঙ্গিত সেনাপ্রধান নারাভানের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 16, 2020 12:14 pm|    Updated: May 16, 2020 12:14 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি মানস সরোবর পর্যন্ত তীর্থযাত্রা আরও সুগম করতে ভারতের তৈরি নয়া সড়ক নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নেপাল। আর বন্ধু দেশের এহেন আচরণের নেপথ্যে রয়েছে চিন। সরাসরি নাম না করে এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে।

[আরও পড়ুন: নেপাল সীমান্ত দিয়ে করোনা আক্রান্ত ঢোকানোর ষড়যন্ত্র, অনুপ্রবেশ রুখতে বাড়ল নজরদারি]

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাপ্রধান সাফ জানিয়েছেন, ভারত ও নেপালের মধ্যে গোলমাল বাধানোর চেষ্টা করছে অন্য এক শক্তি। পরোক্ষে তিনি যে চিনের দিকেই আঙুল তুলছেন তা স্পষ্ট। নারাভানে বলেন, “কয়েকদিন আগে নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, মহাকালি নদীর পূর্বের অংশ নেপালের। আমরা সড়ক তৈরি করেছি নদীটির পশ্চিমে। তা সত্ত্বেও কাঠমাণ্ডু ঠিক কেন প্রতিবাদ জানিয়েছে বলতে পারব না। তবে এই সব সমস্যা যে ওরা অন্য কারোর হয় তৈরি করছে সেটা মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং এটা হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।” গত শুক্রবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ভিডিও লিংকের মাধ্যমে উত্তরাখণ্ড থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার লম্বা একটি সড়কের উদ্বোধন করেন। এই রাস্তা নিয়েই আপত্তি জানায় নেপাল।

উল্লেখ্য, ভারতের তৈরি সড়ক নিয়ে শুধু আপত্তি নয় রীতিমতো হুমকি দিয়েছে নেপাল সরকার। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, সীমান্তে নেপালের মাত্র ১২০টি চৌকি রয়েছে। তাই সেখানে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার কথা ভাবছে সরকার। তিনি আর দাবি করেন, নেপালের জমিতে সড়ক তৈরি করে ভারত দু’দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ঘন করছে। ১৮১৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নেপালের তৎকালীন রাজার মধ্যে স্বাক্ষরিত সুগাউলি চুক্তিতে সাফ বলা হয়েছে মহাকালি নদীর পূর্বের অংশ নেপালের। ১৯৮৮ সালের বৈঠকেও ভারত স্থায়ী সীমান্ত মেনে চলতে রাজি হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: বিপজ্জনক হারে করোনা সংক্রমণ রাশিয়ায়, ঝুঁকি এড়াতে বিনামূল্যে বাসিন্দাদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement